Asha Bhosle Daughter

আশার ৫৬ বছরের মেয়ে বর্ষা নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নেন! কী কারণে?

বাড়িতে রাখা পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করেন আশার মেয়ে বর্ষা। গায়িকার গাড়িচালক বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১৪
Share:

মেয়ে বর্ষার সঙ্গে আশা ভোসলে। ছবি: সংগৃহীত।

আশা ভোসলে জীবনে দু’বার বিয়ে করেছেন। গায়িকার প্রথম স্বামী গণপতরাও ভোসলে ও দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন রাহুল দেব বর্মণ। আশার মোট তিন সন্তান। তিন জনই প্রথম পক্ষের স্বামীর। হেমন্ত, বর্ষা ও আনন্দ ভোসলে। রাহুলের সঙ্গে কোনও সন্তান ছিল না তাঁর। রাহুলের সঙ্গে বিয়ের পর প্রথম পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে সাময়িক দূরত্ব হয়। তবে তা পরে ঘুচে যায়। অনেকেই বলেন, জীবনে অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন তিনি। বড় ছেলে হেমন্তের মৃত্যু হয় ক্যানসারে, ২০১২ সালে মেয়ে বর্ষা আত্মহত্যা করেন।

Advertisement

যখন বর্ষা আত্মহত্যা করেন, সেই সময়ে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন আশা। বর্ষা তাঁর বাড়িতে রাখা পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করেন। গায়িকার গাড়িচালক বাড়িতে গিয়ে দেখেন, সোফায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন তিনি। পেশায় বর্ষা ছিলেন লেখিকা, সাংবাদিক। মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে মাটিতে পড়ে যান আশা। সিঙ্গাপুর থেকে মুম্বইয়ের বিমান ধরে ফেরেন তিনি।

শোনা যায়, নিজের দাম্পত্যজীবন নিয়ে অশান্তিতে ছিলেন বর্ষা। অবসাদে ভুগছিলেন। সেখান থেকেই এমন চরম সিদ্ধান্ত। বর্ষার মৃত্যুতে একটা সময় দিনের পর দিন কেঁদেছেন মাসি লতা মঙ্গেশকর। এক সাক্ষাৎকারে আশা জানান, বর্ষার মৃত্যুর খবর হয়তো লতাকে দেওয়া ঠিক হয়নি তাঁর। যদিও মেয়েকে নিয়ে আবেগতাড়িত আশা বলেন, ‘‘আমি জানি, একদিন আমার সঙ্গে বর্ষার নিশ্চয়ই দেখা হবে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement