আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে মতামত দিলেন অভিনেতা কৌশিক সেন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কৌশিক: মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আমি তাঁকেই দেখতে চাইব, যাঁর দল পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন দিতে পারে।
কৌশিক: অবশ্যই দল দেখে ভোট দিই।
কৌশিক: প্রার্থী বা বিধায়ক তিনিই হবেন, যিনি বুঝবেন কত বড় দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। এই দায়িত্ব বুঝতে পারলে সেই ব্যক্তি সৎ হবেন। অবশ্যই তাই পার্থী বাছাইয়ের পরীক্ষা হওয়া দরকার। যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষকে পরীক্ষার মুখে ফেলা হচ্ছে যে, তাঁরা বৈধ ভোটার কি না। নাগরিকদের যদি সেই প্রমাণ দিতে হয়, তা হলে নাগরিকদেরও প্রার্থীদের যাচাই করার অধিকার থাকা উচিত।
কৌশিক: বিধায়ক হলে এলাকার মানুষদের বলতাম, আমি সব সমস্যার সমাধান করতে পারব না। এলাকায় কোন ক্ষেত্রে সমস্যা সবচেয়ে বেশি। ক্রমানুসারে দুটো সমস্যার সমাধান করার আগে চেষ্টা করতাম প্রথম পাঁচ বছরে।
কৌশিক: এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের যা সমস্যা আছে, সেটা এতটাই গভীর, সেখানে আমার পেশা খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়।
কৌশিক: নিয়ম করে কিছু হবে না। বিজেপি প্রমাণের চেষ্টা করছে যে, তারা দুর্নীতিমুক্ত। পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত সরকার দেবে। এ দিকে, তৃণমূল বলছে, বিজেপিশাসিত রাজ্যে বিরাট দুর্নীতি। দুটোই সত্যি। অর্থাৎ, রাজনৈতিক দলগুলির কাউকেই বিশ্বাস করা যাবে না। দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়তে হলে, সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন করা যেতে পারে। তার মাথায় যাঁরা থাকবেন, তাঁদের প্রভাবমুক্ত হতে হবে।
কৌশিক: এমন নিয়ম আনতে হবে, যেখানে দলবদল করলে সঙ্গে সঙ্গে পদ (বিধায়ক, সাংসদপদ) চলে যাবে সেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির। তার পরে তিনি অন্য দলে যোগ দিতে পারবেন।
কৌশিক: একেবারেই জরুরি নয়। অপশব্দের থেকেও ভয়ের হল সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা বলা। বিশেষ করে বিজেপি এই বিষয়কে অস্ত্রে পরিণত করেছে।
কৌশিক: তিনটি জিনিসই গুরুত্বপূর্ণ। আমি ক্রমানুসারে সাজালে বলব প্রথমে সমান অধিকার, তার পরে দেশজ সংস্কৃতি ও শেষে উন্নয়ন।
কৌশিক: ভাতা একেবারেই কোনও উন্নতি করে না। ক্ষণিকের জন্য শান্তি পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতে সমাজের খুব একটা লাভ হয় না ভাতা দিয়ে।
কৌশিক: না। ভীষণ খারাপ। গণতন্ত্র বাঁচাতে গেলে শক্তপোক্ত বিরোধী দরকার। যারা শাসকদলের বা সরকারের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে।
কৌশিক: হ্যাঁ, সহজ উপায়। কিন্তু এই বিষয়টি ইতিবাচকতা হারাচ্ছে। এটা এখন শেষের পথে। মানুষ আর বিশ্বাস করতে পারছে না।
কৌশিক: আমার পছন্দের রাজনীতিবিদ কখনও নির্বাচনে লড়েননি। কিন্তু তিনি ঘোরতর বামপন্থী ছিলেন। পরিষ্কার সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য ছিলেন। ভোটে লড়েননি। কমরেড শিশির সেন আমার প্রিয় রাজনীতিবিদ।