Entertainment News

মা, বউয়ের সমস্যা কী ভাবে সামলান? ‘মুখার্জীদার বউ’-এর গল্প বললেন বিশ্বনাথ

আদতে এ ছবিতে শাশুড়ি-বউমার গল্প। তাঁদের ঝগড়া, অভিমান, এমনকি তাঁদের বন্ধুত্বের গল্প। এই দুই চরিত্রে দেখা যাবে অনসূয়া মজুমদার এবং কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু যে পুরুষকে নিয়ে অসমবয়সী এই দুই মহিলার টানাপড়েন, তিনিই তো মধ্যমণি। অর্থাত্ এ ছবির ‘মুখার্জীদা’ ওরফে বিশ্বনাথ বসু।

Advertisement

স্বরলিপি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: ০২ মার্চ ২০১৯ ১২:৩৫
Share:

‘মুখার্জীদার বউ’-এ বিশ্বনাথ বসু।

আপনার বউ কি খুব মুখরা? কথায় কথায় ঝগড়া করেন?

Advertisement

আচ্ছা, আপনার মা খুব হিংসুটে, না? হাত দিয়ে কিচ্ছুটি গলে না…।

দেমাক রয়েছে…। কার বলুন তো? মা নাকি বউয়ের?

Advertisement

এ হেন প্রশ্ন, এ হেন দ্বন্দ্বে, এ হেন ঝগড়ায় জেরবার প্রায় সব বিবাহিত পুরুষ। কেউ বন্ধুদের আড্ডায় স্বীকার করেন কখনও। কেউ বা মন খারাপে গুমরে মরেন। তেমনই এক বিবাহিত পুরুষকে এ বার পর্দায় দেখাবেন পরিচালক পৃথা চক্রবর্তী। সৌজন্যে তাঁর আসন্ন ছবি ‘মুখার্জীদার বউ’।

আরও পড়ুন, প্রেম আর কাজ ঠিক ব্যালান্স করতে পারি না, বলছেন এনা

আদতে এ ছবিতে শাশুড়ি-বউমার গল্প। তাঁদের ঝগড়া, অভিমান, এমনকি তাঁদের বন্ধুত্বের গল্প। এই দুই চরিত্রে দেখা যাবে অনসূয়া মজুমদার এবং কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু যে পুরুষকে নিয়ে অসমবয়সী এই দুই মহিলার টানাপড়েন, তিনিই তো মধ্যমণি। অর্থাত্ এ ছবির ‘মুখার্জীদা’ ওরফে বিশ্বনাথ বসু


ছবির দৃশ্যে অনসূয়া এবং বিশ্বনাথ।

‘‘স্ক্রিপ্ট পেয়ে দেখেছিলাম টেলিভিশনে আমরা যা দেখি প্রতিদিন, এ-ও তাই। কিন্তু ফর্টি পার্সেন্টের পর থেকে যে দিকে বাঁক নেয়, যে ভাবে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছয় এবং শেষ হয়— আমি স্তম্ভিত। এ গল্প মধ্যবিত্তের। বহুকাল ধরে চলে আসা একটা সমস্যার সমাধান। বহু সম্পর্ককে জীবাশ্ম থেকে প্রাণ দেবে এই ছবি,’’ শেয়ার করলেন বিশ্বনাথ।

এ ছবিতে ‘মুখার্জীদা’ মায়ের বাধ্য ছেলে। বৌকেও পছন্দ করে। কিন্তু বেশির ভাগ বিবাহিত পুরুষের মতোই ব্যালেন্স করে চলতে হয় তাঁকেও। সংসার, মধ্যবিত্ত মানসিকতার ঘূর্ণাবর্তে জীবন কেটে যায় তাঁরও। অনেক না বলার কথার খোলস ছাড়াবে এই ছবি। এ আশ্বাস দিলেন বিশ্বনাথ।

আরও পড়ুন, ‘যিশু কি উত্তমকুমার হয়ে উঠল? না করে ছবিটা নিয়ে সমালোচনা করলে ভাল’

এ তো গেল ‘মুখার্জীদা’র কথা। ব্যক্তিগত জীবনে মা এবং বউয়ের মাঝে কি সমস্যায় পড়েছেন বিশ্বনাথ? হেসে উত্তর দিলেন, ‘‘এটা তো হবেই। সংসার থাকবে, সমস্যা থাকবে। কিন্তু তা থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে। আমি যে সবসময় সমস্যা সমাধানে সফল হয়েছি তা নয়। আবার কখনও সফলও হয়েছি। এমনিতে আমার পরিবারে এই দু’জনের মানসিক পরিস্থিতি ভালই। যেটুকু সমস্যা রয়েছে, এই ছবিটা দেখার পর তা-ও ফুত্কারে উড়িয়ে দিতে পারবে।’’

অনসূয়া, কনীনিকা, বাদশা, অপরাজিতার মতো শিল্পীর অভিনয়ের কথা আলাদা করে বললেন বিশ্বনাথ। নতুন পরিচালক হলেও পৃথার থেকে প্রতি মুহূর্তে শিখেছেন তিনি। আগামী ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সিনেমা হলে যাঁরা ছবিটি দেখতে যাবেন, তাঁরাই আরও বহু মানুষকে দেখতে যেতে বলবেন— এ কথা বিশ্বাস করেন বিশ্বনাথ।

(সেলেব্রিটি ইন্টারভিউ, সেলেব্রিটিদের লাভস্টোরি, তারকাদের বিয়ে, তারকাদের জন্মদিন থেকে স্টার কিডসদের খবর - সমস্ত সেলেব্রিটি গসিপ পড়তে চোখ রাখুন আমাদের বিনোদন বিভাগে।)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement