নৃত্যপরিকল্পক গীতা কপূর। ছবি: সংগৃহীত।
শিষ্য-শিষ্যারা ভালবেসে তাঁকে ‘মা’ বলে ডাকেন। আদতে তিনি গীতা কপূর। ‘মা’ ডাক শুনতে শুনতে তিনি কি সন্ন্যাসিনী হয়ে উঠেছেন? নৃত্যপরিকল্পককে ঘিরে এ রকম হাজার কৌতূহল।
সম্প্রতি একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি অকপট সব কিছু নিয়ে। সপাট বলেছেন, “শিষ্য-শিষ্যারা ভালবেসে ‘মা’ বলে ডাকে। আমি তাতে সাড়া দিই। মোটেই সন্ন্যাসিনী নই।” কোনও লুকোছাপা নেই তাঁর। সপাট দাবি, “নিজের শর্তে বাঁচি। আমার জীবনেও ‘অন্তরঙ্গতা’, ‘ঘনিষ্ঠতা’র মতো শব্দগুলো অস্তিত্ব রয়েছে।”
গীতা কখনও কারও উষ্ণ সান্নিধ্য উপভোগ করেছেন? সাক্ষাৎকারে এর উত্তর সরাসরি না দিলেও ঘুরিয়ে দিয়েছেন। বিস্মিত হয়েছেন, কেন নারীর চাহিদা নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হবে! গীতার উপলব্ধি, মানুষ প্রায়ই খ্যাতনামীদের উঁচু আসনে বসিয়ে দেয়। ধরে নেয়, জীবনের কিছু দিক তাঁদের জন্য ‘নিষিদ্ধ’। কিন্তু তাঁরাও তো রক্ত-মাংসের মানুষ! প্রত্যেকের তাই অনুভূতি, চাহিদা এবং আবেগ রয়েছে। তাঁর মতে, এই অনুভূতি অস্বাভাবিক বা ভুল নয়।