রণবীর সিংহ। ছবি: সংগৃহীত।
মুক্তির পর থেকেই আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই ছবির পাকিস্তান-বিরোধী চিত্রনাট্য, অভিনয় ছাড়াও ছবিটির অ্যাকশন দৃশ্য ছিল অন্যতম আকর্ষণ। ছবির অ্যাকশন দৃশ্য তথা ‘এসএফএক্স সুপারভাইজ়ার’ বিশাল ত্যাগী জানান, ক্লাইম্যাক্সে রণবীর সিংহ এবং অর্জুন রামপালের লড়াইয়ের প্রতিটা বিস্ফোরণই ছিল আসল। শুটের জন্য নাকি ব্যবহার করা হয়েছিল ৫০০ লিটার পেট্রোল ।
পর্দায় এই ধরনের বিস্ফোরণের দৃশ্যের ক্ষেত্রে পরিচালকেরা ‘সিজিআই’ নামক এক প্রযুক্তির ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই ছবির ক্ষেত্রে নাকি তেমন কিছুই হয়নি। প্রকাশ জানান, পরিচালক জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি কোনও ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান না। এই ধরনের ভয়ানক দৃশ্য শুট করাটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। যেখানে অভিনেতারা নিজেরাও উপস্থিত থাকছেন। ‘ধুরন্ধর’-এর শেষ দৃশ্যে একের পর এক বিস্ফোরণ, বন্দুকের গোলাগুলি থেকে শুরু করে গোটা তেলের ট্যাঙ্কার উড়িয়ে দেওয়ার মতো দৃশ্য রয়েছে। এই সব কিছুই তাঁরা বাস্তবে শুট করেন।
প্রকাশের কথায়, ‘‘আমার উপর প্রযোজনা সংস্থার অনেক চাপ ছিল। বিস্ফোরণের জন্য আসল ট্রেনের ‘বেস’ এবং ‘কন্টেনার’ ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আমার কাছে। কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। প্রযোজনা সংস্থা আমাকে ২৫০ লিটার ব্যবহার করতে বলেছিল। কিন্তু আমি জেদ ধরেছিলাম যে, অন্তত ৫০০ লিটার জ্বালানি লাগবে। ঠিকঠাক ভাবে বিস্ফোরণটা দেখানোর জন্য, সঠিক প্রভাব পেতে আমাকে প্রতিটি ট্যাঙ্কে ২৫ কেজি বিস্ফোরকও ভরতে হয়েছিল। আসলে আমার মন যা বলেছে, তা-ই করেছি। শুটিং শেষে রণবীর জানান, আমি দারুণ কাজ করেছি।’’ শেষ দৃশ্য পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিল অর্জুনের টিমও।