‘ধুরন্ধর’ ছবির শিল্প নির্দেশকের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ ছবি: সংগৃহীত।
‘ধুরন্ধর’ ছবির শিল্প নির্দেশক জন জোসেফের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। শিল্প নির্দেশকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল চণ্ডীগড় পুলিশ। পুণের সেই তরুণী শুধু পুলিশে নয়, অভিযোগ জানিয়েছিলেন ‘বি৬২ স্টুডিয়োজ়’-এর কাছেও।
এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে অভিযোগটি স্টুডিয়োর কাছে পৌঁছোনোর পরে সংস্থার ‘পশ’ (প্রিভেনশন অফ সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট) কমিটি সক্রিয় হয়। সূত্রের দাবি, অভিযোগের সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রেখে এবং সংস্থার ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতির ভিত্তিতে কমিটি দীর্ঘ তদন্ত চালায়।
মার্চের শেষ বা এপ্রিলের শুরুতে ‘পশ’ কমিটি তাদের তদন্ত শেষ করে। তদন্তে যৌন নিগ্রহ এবং প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা—এই দুই অভিযোগে জোসেফকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কমিটি তাদের তদন্তের ফল অভিযোগকারী মহিলাকে জানায় বলেও সূত্রের দাবি।
এরই মধ্যে চণ্ডীগড় পুলিশ জোসেফকে গ্রেফতার করে। যদিও পরে জেলা আদালত তাঁকে জামিন দেয়। অভিযোগ সামনে আসার পর বিভিন্ন প্রোজেক্ট থেকে তাঁর নাম সরিয়ে ফেলার খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, ‘ধুরন্ধর’-এর ওটিটি সংস্করণে তাঁর নাম থাকলেও, ২২ মে মুক্তিপ্রাপ্ত আরও একটি ছবিতে তাঁর নাম আর দেখা যায়নি।
অন্যদিকে, ‘যশ রাজ’ প্রযোজনা সংস্থাও তাদের আসন্ন ওয়েব সিরিজ় ‘অক্কা’ থেকে জোসেফের নাম সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কী অভিযোগ করেছিলেন তরুণী? তাঁর অভিযোগ, জোসেফ তাঁকে চণ্ডীগড়ের একটি হোটেলের ঘরে ডেকে পাঠান। অভিযোগ, সেখানে তাঁকে যৌন হেনস্থা, শারীরিক নির্যাতন এবং বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। এ ছাড়া তাঁর পানীয়ের সঙ্গে নেশাজাতীয় কিছু মেশানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিলেন তরুণী। অভিযোগকারী মহিলা নয়া দিল্লির বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তিনি ২০ এপ্রিল সেক্টর-১৭ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্তের পরে, পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে।