বিজয়ের মতোই রাজনীতিতে সুরিয়া? ছবি: সংগৃহীত।
সম্প্রতি তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন বিজয় তলপতি। তার পরেই গুঞ্জন ছড়ায় যে, এ বার নাকি তামিল তারকা সুরিয়া যোগ দেবেন রাজনীতিতে। অভিনেতার এক অনুরাগীর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে ভাবতে শুরু করেন যে, বিজয়ের পথেই চলেছেন সুরিয়া। সত্যিই কি তাই?
সম্প্রতি অভিনেতার ‘ফ্যান ক্লাব’-এর প্রশাসনিক সদস্যদের এক বৈঠকে আর ভিরামণি নামে তাঁর এক অনুরাগী বলেন, “সময় যদি চায়, ঈশ্বর যদি চান, তবে কাউকে জননেতা হওয়া থেকে কেউ আটকাতে পারবে না।” সুরিয়ার উদ্দেশেই এই মন্তব্য বলে দাবি করেন অনেকে। তার পর থেকেই অভিনেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
বিতর্ক বাড়তেই ‘অল ইন্ডিয়া সুরিয়া ফ্যান্স ক্লাব’ থেকে ভিরামণির একটি ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়। সেখানে বলা হয় ভিরামণির ওই মন্তব্য একান্তই ‘তাঁর ব্যক্তিগত মত’। ফ্যান ক্লাবের তরফে তামিলে প্রকাশিত দীর্ঘ বিবৃতিতে বলা হয়, ওই অনুরাগীর মন্তব্যকে ভুল ভাবে ব্যাখ্যা করে এমন ভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যেন সেটিই ফ্যান ক্লাবের বক্তব্য। এ ছাড়াও জানানো হয় যে, গত তিন বছর ধরে ভিরামণি ওই ফ্যান ক্লাবের প্রশাসনিক কমিটির সদস্য নন। তাই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবে বিশ্বাস না করার আবেদন জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়, “অভিনেতা সুরিয়ার রাজনীতিতে আসার কোনও ইচ্ছা নেই। নিজের সংস্থা ও বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের সেবা করেই তিনি আনন্দ ও তৃপ্তি পান।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিজয়। গত সপ্তাহে এক সভায় তিনি বলেন, “অনেকে বলেন, আমি নাকি সরাসরি সিনেমার শুটিং ফ্লোর থেকে মুখ্যমন্ত্রী হতে চলে এসেছি। তাঁদের ভাষাতেই বলব, ওটা শুধু পর্দার সামনের গল্প। আমার ফ্যান ক্লাব বরাবরই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ২০০৮ সাল থেকেই তাঁর ফ্যান ক্লাব বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলন, প্রতিবাদ এবং জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছে। পরে গঠিত হয় তাঁর রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্টি কাজ়াগম (টিভিকে)।
অন্য দিকে, ‘করুপ্পু’ ছবির সাফল্যের পরে সুরিয়াকে শীঘ্রই দেখা যাবে ‘বিশ্বনাথ অ্যান্ড সন্স’ এবং ‘সুরিয়া ৪৭’ ছবিতে। তা ছাড়াও, সোমবার আরও একটি ছবির ঘোষণা করেছেন তিনি।