রেগে গেলেন কাজল ছবি: সংগৃহীত।
মুম্বইয়ে ছবিশিকারিদের নিয়ন্ত্রণহীন দাপটে তারকাদের জীবন যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে তা প্রায়ই তাঁদের আচরণে বোঝা যায়। কোনও অনুষ্ঠানস্থল বা বিমানবন্দর হোক, কিংবা রেস্তরাঁ— সর্বত্র তারকা দেখলেই তাঁদের ব্যক্তিগত পরিসরে ঢুকে পড়েন ছবিশিকারিরা, অভিযোগ এমনই। যদিও কিছু তারকার সঙ্গে অবশ্য ছবিশিকারিদের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর। তাঁরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফোটোগ্রাফারদের সামনে হাসিমুখেই পোজ় দেন। অনেকে পোজ় না দিলেও ছবি তুললে কিছু মনে করেন না। অন্তত রেগে যান না। উল্টো দিকে, কিছু তারকা রয়েছেন যাঁরা ‘পাপারাজ্জি’ বা ছবিশিকারিদের দেখলেই মেজাজ হারান। সেই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন জয়া বচ্চন। তার পরেই নাকি কাজলের নাম উঠে আসে। সাম্প্রতিককালে একাধিক বার কাজলকে দেখা গিয়েছে আলোকচিত্রীদের উপর চিৎকার করতে, কখনও রাগ দেখাতে। এ বার ফের মেজাজ হারালেন কাজল।
গত বছরেই কাজল নিজের বাড়ির সামনে আলোকচিত্রীদের দেখে মুখ লুকিয়ে ভিতরে ঢোকেন, নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে তাঁদের সরিয়ে দেন। দু্র্গাপুজোয় আলোকচিত্রীরা অঞ্জলির সময় জোরে কথা বলায় তাঁদের উপর বেশ রেগে যান।
এ বার মণীশ মলহোত্রের বাড়িতে ঢোকার সময় পোশাকশিল্পীর বাড়ির সদর দরজা পর্যন্ত পিছু নেন আলোকচিত্রীরা। আসলে মণীশের মা দিন কয়েক আগে প্রয়াত হন। তাঁর স্মরণসভায় গিয়েছিলেন কাজল। সেখানেই আলোকচিত্রীরা পিছু নিতেই প্রথমে তাঁদের সরে যেতে বলেন কাজল। তার পরেও তাঁরা কথা শুনতে চাননি। সেই সময় বিরক্ত হয়ে রাগ দেখিয়ে কাজল বলেন, ‘‘ব্যস, অনেক হয়েছে। বন্ধ করুন।’’
কাজলের এমন আচরণকে যেমন অনেকেই সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনই একদল আবার অভিনেত্রীর ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন। কারও মতে, আলোকচিত্রীদের আরও বেশি সহমর্মী হওয়া উচিত। অন্য দল বলেন, ‘‘উনি শুধু সিনেমার প্রচারের সময় আলোকচিত্রীদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেন।’’