সূর্যকুমাররে সঙ্গে কী কথা হত খুশির? ছবি: সংগৃহীত।
কিছু দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী তথা নেটপ্রভাবী খুশি মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব তাঁকে বার্তা পাঠাতেন। নিয়মিত কথা হত দু’জনের। এর পরই খুশির বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করে বসেন ফয়জ়ান আনসারি নামক এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে সূর্যকুমার যাদবের শহর গাজিপুরের বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন। এ বার খুশি জানালেন, কী কথা হত তাঁর ও সূর্যকুমারের মধ্যে।
এক সাক্ষাৎকারে খুশি জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন ক্রিকেটারই তাঁকে বার্তা পাঠান। সূর্যকুমারের নাম করে জানিয়েছিলেন, তাঁর থেকে একাধিক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সূর্য নাকি নিজে থেকেই বেশ কয়েক বার খুশিকে বার্তা পাঠিয়েছেন। তবে কোনও প্রেমের সম্পর্ক নেই বলেও স্বীকার করেছিলেন। এই ঘটনাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ক্রিকেটতারকা। যদিও খুশির দাবি, তাঁদের মধ্যে কথা হত। মূলত একে অপরের সঙ্গে মজার মজার কথা বলতেন। সেই কথোপকথনের প্রমাণ আছে কি না প্রশ্ন উঠতেই খুশি বলেন, ‘‘আমি এমন মানুষ নই যে ‘চ্যাট’ ফাঁস করে অন্যের সম্মান নষ্ট করব। শুধু তা-ই নয়, আমি আমার ফোনের চ্যাটও রাখি না। মুছে দিই। তবে আমাদের কথা হত বন্ধুত্বের সম্পর্কের নিরিখে। তার বেশি কিছু নয়।’’
বয়স প্রায় ২৯ বছর। স্নাতক অবধি পড়েছেন মুম্বইয়েই। কলেজে পড়ার সময়েই হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন খুশি। যদিও প্রথম ছবি পান দক্ষিণ ভারতে, ২০১৩ সালে। সে ভাবে ছাপ ফেলতে পারেননি। তার পর বেশ কিছু হিন্দি ছবিতে ছোট ছোট চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কিন্তু নজর কাড়তে পারেননি। খুশি প্রথম পরিচিতি পান এমটিভি-র একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মাধ্যমে।
কিন্তু কাঙ্ক্ষিত পরিচিতি যেন পাওয়া হচ্ছিল না খুশির! এর মধ্যে অবশ্য খুশি প্রাপ্তবয়স্ক বেশ কিছু ছবিতে কাজ করা শুরু করে দেন। অভিনেত্রী নিজেই জানান, তাঁর নামের একটি সাইট রয়েছে যেখান থেকে ভালই উপার্জন হয় তাঁর। ব্যক্তিগত ভিডিয়ো কলেও ধরা দেন তিনি। তাঁর জন্য অর্থ দিতে হয়।