মিমি চক্রবর্তী: প্রত্যেক বছর চলচ্চিত্র উত্সবের ওপেনিং ফিল্মটা দেখার চেষ্টা করি। আর এর প্রভাব টলিউডে পড়ে কিনা, তা নিয়ে আলাদা করে কখনও ভাবিনি। তবে নিশ্চয়ই ইমপ্যাক্ট পড়ে। আর কলকাতায় এত বড় একটা ব্যাপার হচ্ছে, সেটাই তো বড় কথা।
সুদীপ্তা চক্রবর্তী: আমার প্রথম প্রশ্ন হল, কলকাতা চলচ্চিত্র উত্সব আন্তর্জাতিক মানের হয় কি? এটা বলছি কারণ, বছর ১৫ আগেও যে আবহাওয়াটা ছিল এখন আর সেটা নেই। ফিল্ম সিলেকশনে সমস্যা আছে। ফলে ‘মাস’কে কানেক্ট করা গেলেও ‘ক্লাস’কে ধরা যাচ্ছে না। যাঁরা ভাল ছবি দেখতে পছন্দ করেন তাঁরা ফেস্টিভ্যাল বিমুখ হচ্ছেন।
গার্গী রায়চৌধুরী: ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ভাল ছবি দেখার সুযোগ আর্টিস্টদের লুফে নেওয়া উচিত। দেখার চোখটা তৈরি করতে হবে। এই সুযোগটা কাজে লাগাতে না পারলে ক্ষতিটা নিজেদের। আমার কাছে চলচ্চিত্র উত্সব বরাবরই গ্রহণীয় এবং উপভোগ্য শিক্ষা। দেখুন, ভাল জিনিস খুব কম মানুষ নিতে পারেন। যাঁরা পারেন আমরা না হয় তাঁদের দিকেই তাকিয়ে থাকি।
অঙ্কুশ: কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতি বছরই যাই। এ বার হবে না। কারণ আমি মুম্বইতে। তবে এখান থেকে অনেক ভাল কনসেপ্ট অ্যাডপ্ট করা যায়। যাঁরা ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন তাঁরা প্রত্যেকেই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ছবি দেখে শিখতে পারেন।
বিশ্বনাথ বসু: ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সিনেম্যাটিক অ্যাটমোস্ফিয়ারটা নেশার মতো। একটা সময় সকাল ন’টায় ঢুকতাম। রাত ন’টায় বেরতাম। প্রতিদিন তিনটে করে ছবি দেখতাম। ইরাকের ছবি কেমন, বা ফ্রান্সের কোন পরিচালক কেমন ছবি তৈরি করলেন, সে সব দেখার সুযোগ পাওয়া যায়। আবার বিদেশীরাও ভাল বাংলা ছবি কী হচ্ছে, তা দেখতে পারেন। এই এক্সচেঞ্জটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।