মমতা ও শুভেন্দুর মাঝে পড়ে গেলেন কুনিকা সদানন্দ! ছবি: সংগৃহীত।
বলিউডের অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দ। মুম্বইয়ে বসেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদল প্রসঙ্গে ‘চিন্তা’ প্রকাশ করলেন তিনি। শনিবার, ৯ মে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে শপথবাক্য পাঠ করেন শুভেন্দু। যদিও, তৃণমূলের পরাজয়ের পরেও প্রথা মেনে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাজমাধ্যমের পাতায় নিজেকে ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে স্বীকার করেনি তিনি। এ বার মমতার হয়ে কোন প্রশ্ন তুললেন কুনিকা?
মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে মমতার পদত্যাগ না করাকেই যেন ঘুরিয়ে সমর্থন করলেন কুনিকা। তিনি প্রশ্ন তুলে লেখেন, ‘‘মানুষ বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ না করে জনগণের রায়কে অসম্মান করেছেন। একই ভাবে থলপতি বিজয়ও কিন্তু প্রশ্ন তুলেছেন যে, তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থেকে আটকাতে নানা অসাংবিধানিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছে তামিলনাড়ুর তৎকালীন সরকার। তা হলে, সত্যিই কি মানুষের রায়ের আদৌ কোনও দাম আছে?’’ প্রসঙ্গত, শনিবারই তামিলনা়ড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে থলপতি শপথ নেবেন বলে শোনা গিয়েছিল।
এমনিতেই একাধিক বার বিবিধ বিষয়ে কুনিকা বিজেপির বিরোধিতা করেছেন। এ বার মমতার পরাজয়ে দূর থেকেই কি তাঁকে ভরসা দিলেন কুনিকা? অন্য দিকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ বা এক্স হ্যান্ডলে নিজের নামের পাশে এতদিন ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী’ লেখেননি মমতা। শুধু উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। সমাজমাধ্যমে মমতার নতুন পরিচয়— ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (পঞ্চদশ, ষোড়শ এবং সপ্তদশ বিধানসভা)’।