Madhuri Dixit

‘ভারতে কারও সঙ্গে দেখা হলেই...’, কোন বিরক্তির কথা জানালেন মাধুরী দীক্ষিত?

চার দশকের কেরিয়ার তাঁর। যদিও কর্মজীবনের শুরুর দিকে নানা ধরনের মন্তব্যের সম্মুখীন হতে হয় তাঁকে। তাতেই খানিক বিরক্ত হতেন নায়িকা!

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ১৯:১৫
Share:

মাধুরী দীক্ষিত। ছবি: সংগৃহীত।

১৯৮৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অবোধ’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় পা রাখেন মাধুরী। তাঁর কেরিয়ারের প্রথম ছবি তাপস পালের সঙ্গে। অভিনয় শুরুর পর চার বছর মাধুরীর ছবি বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়নি। ১৯৮৮ সালে অনিল কপূরের সঙ্গে ‘তেজাব’ ছবিতে মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করে বিপুল প্রশংসা অর্জন করেন মাধুরী। তার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। কেরিয়ারের ঝুলিতে একের পর এক আসতে থাকে ‘রাম লক্ষ্মণ’, ‘প্রেমপ্রতিজ্ঞা’, ‘দিল’, ‘সাজন’, ‘বেটা’, ‘খলনায়ক’, ‘অঞ্জাম’, ‘হম আপকে হ্যায় কৌন..!’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’-এর মতো বহু সফল হিন্দি ছবি। যদিও কেরিয়ারের শুরু দিকে নানা ধরনের মন্তব্যের সম্মুখীন হতে হয় তাঁকে। তাতেই খানিক বিরক্ত হতেন নায়িকা!

Advertisement

মাধুরী জানান, অভিনয়ে আসার পর থেকে তাঁকে নিয়ে নানা মুনির নানা মত। সব থেকে বেশি নাকি কটাক্ষ শুনতে হত তাঁর চেহারা নিয়ে। মাধুরীর কথায়, ‘‘আমাকে সেই সময়ে লোকে বলত, এ ভীষণ রোগা। একে কিছু খেতে দাও। তখন ছিলাম একটু বেশিই রোগা। ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার পরে বলা শুরু হল, কেন এত ওজন বেড়েছে? আসলে ভারতে প্রথম কারও সঙ্গে দেখা হলেই বলবে, দেখো, কেমন মোটা হয়েছে!’’ মাধুরী জানান, ওজন নিয়ে মহিলাদের যে ভাবে আতশকাচের তলায় রাখা হয় তাতে তিনি বিরক্ত। মাধুরী জানান, যাঁরা কটাক্ষ করছেন, তাঁদের খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

একসময় শোনা যায়, বড্ড রোগা হওয়ার জন্য মাধুরীকে বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন গায়ক সুরেশ ওয়াডকর। বহু বছর ধরে চলতে থাকা এই গুঞ্জনে সম্প্রতি জল ঢেলেছেন সুরেশ। তিনি জানান, তাঁর কাছে এমন কোনও প্রস্তাব কখনও আসেনি। তা ছাড়া যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, সুরেশের জীবনে তখন নাকি তাঁর বর্তমান স্ত্রী পদ্মা এসে গিয়েছেন। তিনি ছিলেন গায়কের শিষ্যা। তাঁরই প্রেমে পড়েছিলেন গায়ক। পরে বিয়েও করেন। এখানেই শেষ নয়। সুরেশের দাবি, এই গোটা ঘটনাই নাকি অভিনেত্রী অর্চনা পূরণ সিংহের রটানো। কোনও এক সময়ে, কোনও এক অনুষ্ঠানে অর্চনা নাকি এই গল্প শোনান। তার পর থেকেই এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাচ্ছেন নাকি তিনি। সুরেশের কথায়, ‘‘মাধুরী আমার খুব ভাল বন্ধু। এটা নিয়ে ভুলভাল কিছু বললে ও আমাকে ছেড়ে কথা বলবে না!’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement