New Version Of Ke Tumi Nandini 2.0

মান্না দে-র গানের তালে নাচলেন শুভেন্দু-নাতনি হিয়া! গায়কের সঙ্গে কণ্ঠে নিকিতা, তার পর?

“‘কে তুমি নন্দিনী’ গানের তালে শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নাতনি হিয়া নাচছেন শুনলে সৌমিত্রজেঠু দারুণ খুশি হতেন”, দাবি পরিচালক রাহুলের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩১
Share:

(বাঁ দিকে) হিয়া চট্টোপাধ্যায়, (ডান দিকে) মান্না দে। ছবি: ফেসবুক।

শিল্ড জিতে তুমুল নাচ পাড়ার ছেলেদের। ‘তিন ভুবনের পারে’ ছবির এমনই এক দৃশ্যে টুইস্ট নেচেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়! সঙ্গে রবি ঘোষ, চিন্ময় রায়, নায়িকা তনুজা সমর্থ। মান্না দে-র গাওয়া ‘জীবনে কি পাব না’ সেই সময়ের ‘হট কেক’। সেই গানের নব্য সংস্করণ রাহুল মুখোপাধ্যায়ের ‘মন মানে না’ ছবিতে।

Advertisement

মান্না দে-র কণ্ঠ তো আছেই। একই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নিকিতা গান্ধী, শুভদীপ পান!

শুক্রবার সকালে গানমুক্তির পর থেকেই নানা আলোচনা। যাঁরা গানটির সমসাময়িক,তাঁরা স্মৃতিকাতর। যাঁরা এই প্রজন্মের, তাঁরা কানে হেডফোন দিয়ে শুনছেন— দাবি পরিচালকের। যে গান শুনলে এখনও বাঙালি তালে তালে দুলে ওঠে, সেই গানে নিকিতা! আনন্দবাজার ডট কম প্রসঙ্গ তুলতেই গায়িকার কণ্ঠে উচ্ছ্বাস। তিনি বললেন, “আমিই তো ছোটবেলায় কত বার শুনেছি। গানের কথা, সুর, তাল, সর্বোপরি মান্না দে-র মতো গায়কের কণ্ঠ! সব মিলিয়ে আজও অতুলনীয়।”

Advertisement

সেই গান নতুন রূপে গাওয়ার সুযোগ আসতেই তাই দ্বিধা করেননি নিকিতা।

গান রেকর্ডিংয়ের আগে ভয় করেনি? শুক্রবার পুরো গান শোনার পরেই বা গায়িকার অনুভূতি কী?

নিকিতার কথায়, “ভয় করেনি। কারণ, এখানে মান্না দে-র গাওয়া অংশও রয়েছে। তার আগে বা পরে কথা অল্প বদলে আমাদের অংশ যোগ করা হয়েছে। গানের কোনও বিকৃতি ঘটেনি।” তাই তিনি রোমাঞ্চিত। তাঁর মতে, “আমার বরং ভাল লেগেছে, মান্না দে-র এই গানটির সঙ্গে আমিও জুড়ে গেলাম! গান শোনার পর মনে হয়েছে, এ ভাবেই না হয় আমি ওঁর সঙ্গে গাইলাম! আমি খুবই রোমাঞ্চিত।”

বলিউডে ইদানীং পুরনো গানের নব্য সংস্করণ প্রায়ই হচ্ছে। তা-ই নিয়ে নানা মুনির নানা মত। বাংলায় এই প্রচেষ্টা নতুন। শিল্পী নিকিতা পুরনো গানের নতুন রূপকে কী ভাবে দেখেন?

শিল্পীর যুক্তি, “এই প্রজন্ম এর ফলে পুরনো দিনের গানের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। ফলে, বিষয়টি আমার খারাপ লাগে না।” উদাহরণ হিসাবে তিনি জানান, তাঁর দুই দিদা শিল্পী গীতা ঘটক, রীতা গঙ্গোপাধ্যায়। “ছোট দিদা রীতা গঙ্গোপাধ্যায় গজল গাইতেন। সম্প্রতি, আমি সেই গান গেয়েছি এখনকার মতো করে। দিদা কিন্তু শুনে খুশি।” নিকিতার দাবি, পুরনো গানকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপিত করা কতটা যুক্তিযুক্ত সে কথা আরও ভাল করে বলতে পারবেন সঙ্গীত পরিচালক। তিনি শিল্পী। নির্দেশ মেনে গান গাওয়াই তাঁর দায়িত্ব।

রাহুল মুখোপাধ্যায়, নিকিতা গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত।

প্রায় একই কথা শোনা গেল ছবির পরিচালক রাহুলের মুখেও। তিনি বলেন, “আগামী প্রজন্মকে হলমুখী করতে হবে। তারা আগের প্রজন্মের গান, গায়ক, অভিনেতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। আমার এই ছবি, গানের ব্যবহার তাদের কথা মাথায় রেখেই।” জানান, মান্না দে-কে কোথাও ছোট করা হয়নি। এমনকি পুরনো গানে অভিনেতা রবি ঘোষের কণ্ঠ যে ভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটিও অবিকৃত অবস্থায় এই গানে রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই তাঁর দাবি, “শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের হৃদ্যতা ছিল। শুভেন্দুবাবুর নাতনি হিয়া চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত গানের তালে নাচছেন, এটা দেখলে সৌমিত্রজেঠুও খুশি হতেন।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement