University of Chittagong

‘আওয়ামী ও বামপন্থী যোগ’, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতাদের হাতে হেনস্থার শিকার অধ্যাপক

শনিবার রাত ৯টা নাগাদ ‘নিগৃহীত’ অধ্যাপক প্রক্টরের গাড়িতে চেপে ক্যম্পাস থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় অধ্যাপকের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়নি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:২২
Share:

হাসান মোহাম্মদ। — ফাইল চিত্র।

পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করছিলেন সহকারী অধ্যাপক। তাঁকে তাড়া করার পাশাপাশি টেনেহিঁচড়ে শারীরিক হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় দীর্ঘ প্রায় ন’ঘণ্টা ওই শিক্ষককে আটকে রাখাও হয়। শনিবার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা। অভিযোগের তির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতাদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিয়ো। যদিও ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ প্রথম বর্ষের ভর্তি-পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। দুপুর ১২টা নাগাদ ছাত্র সংসদের চার নেতা তাঁকে ধাওয়া করে ধরে নিগ্রহ করেন। অভিযোগ শারীরিক হেনস্থার পাশাপাশি তাঁর মোবাইলও ঘাঁটা হয়। অটোতে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে তাঁকে দীর্ঘ প্রায় ন’ঘণ্টা আটকে রাখা হয় প্রক্টর দফতরে। অধ্যাপক তথা প্রাক্তন প্রক্টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী শিক্ষক সংগঠনের একাংশের সঙ্গে যুক্ত।

ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, এক জন ছাত্র নেতা পিছন থেকে জাপটে ধরেছেন অধ্যাপককে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র খবর অনুযায়ী, ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে ছাত্র সংসদের দফতর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফজলে রাব্বি, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ এবং সদস্য সোহানুর রহমানকে।

Advertisement

হেনস্থার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রনেতারা। তাঁদের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের সময়ে ওই অধ্যাপক গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আরও অভিযোগ, অভ্যুত্থানের সময়ে ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে যে সব মামলা হয়েছিল তার নেপথ্যে অন্যতম ভূমিকায় ছিলেন হাসান। আহত হওয়ার কারণ সম্পর্কে ছাত্রনেতাদের দাবি, ছুটতে গিয়ে গাছের গুঁড়িতে ধাক্কা লেগেছিল তাঁর। সহকারী অধ্যাপকের পাল্টা দাবি, জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি কোথাও বার হতেন না বা কারও বিরুদ্ধে কিছু করেননি।

শনিবার রাত ৯টা নাগাদ ‘নিগৃহীত’ অধ্যাপক প্রক্টরের গাড়িতে চেপে ক্যম্পাস থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় অধ্যাপকের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়নি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement