নয়ের দশকে ইন্ডি-পপ নামটা প্রথম তাঁর কাছ থেকে জেনেছিল আপামর শ্রোতা। তিনি আলিশা চিনয়। কিন্তু বেশ কয়েক বছর তিনি আর লাইমলাইটেই নেই। সে রকম ভাবে শোনাও যায় না তাঁর গান। কী করছেন এখন তিনি?
সানি লিয়ন নয়, আসলে বেবি ডল বলতে একটা সময় মানুষ কিন্তু তাঁকেই বুঝত। কিন্তু সেই আলিশাই কোথায় যেন হারিয়ে গেলেন। বা বলা ভাল, স্বেচ্ছাবসর নিলেন। কিন্তু কেন?
‘বিড্ডু’ কিংবা ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ তাঁকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল। সেই আলিশাই কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন, এখন কী করছেন তিনি? কেমন দেখতে এখন তাঁকে?
সম্প্রতি অণু মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন আলিশা। মিটু বিতর্কের সময় তিনি বলেন, যৌন হেনস্থা করা হয়েছিল তাঁকে।
করিশ্মা কপূর থেকে স্মিতা পাটিল, দিব্যা ভারতী থেকে ঐশ্বর্যা রাই প্রত্যেকের লিপে প্লে-ব্যাক করেছিলেন যে আলিশা, তাঁকে আর দেখাই যায় না।
২০০৫ সালে ‘বান্টি অউর বাবলি’র ‘কাজরা রে’ গানটি সুপারহিট হয়েছিল। সেই গানটিই খুব সম্ভবত শেষ সুপারহিট গান ছিল তাঁর।
পরবর্তীতে স্বামী রাজেশ জাভেরির সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদও হয়ে যায়। কিন্তু পরিবারের প্রতি, বাবার প্রতি, বরাবর অসম্ভব যত্নশীল ছিলেন আলিশা। একটি সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি জানিয়েছেন, প্লে-ব্যাক থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কারণ।
ক্যানসারে আক্রান্ত বাবাকে দেখভাল করতেই পুরো সময় কাজে লাগাতে চেয়েছেন তিনি। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র বাবার চিকিৎসায় মন দিয়েছিলেন তিনি। তবে বেশি প্লে-ব্যাক করতে তিনি কখনওই চাননি। তাই তাঁর গলা এখনও এক্কেবারে ‘ফ্রেশ’, এমনটাও জানান সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে।
এই মুহূর্তে তিনি নিজের কিছু ইংরেজি গান নিয়ে কাজ করেছেন। আন্তর্জাতিক স্তরের বেশ কয়েক জন সঙ্গীত প্রযোজকের সঙ্গে কথাও হয়েছে তাঁর।
আলিয়া ভট্ট কিংবা শ্রদ্ধা কপূরের মতো নায়িকাদের প্রশংসাও করেছেন আলিশা। আসল গানের চেয়ে শুনতে ভাল না হলে রিমিক্স করবেন না, তাও স্পষ্ট জানান তিনি।
ফেসবুক কিংবা টুইটার শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করলেও খুক একটা ‘ফ্রিক’ নন তিনি। বরং রিয়্যালিটি শোয়ের বিচারক হিসাবে নতুন কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গেলে নতুন প্রতিভাদের তিনি পরিচয় করাতে পারেন, এমনটাও বলেন আলিশা।