(বাঁ দিক থেকে) তৈমুর আলি খান, করিনা কপূর, সইফ আলি খান। ছবি: সংগৃহীত।
২০১৬ সালে প্রথম সন্তান তৈমুর আলি খানের জন্ম দেন করিনা কপূর খান। সইফ আলি খানের সঙ্গে বিয়ের চার বছরের মাথায় প্রথম সন্তানের জন্ম। এমনিতেই বলিউডের তারকাসন্তানদের নিয়ে উন্মাদনা থাকে দর্শকমহলে। তবে করিনা-পুত্র তৈমুরকে নিয়ে যেন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি উন্মাদনা ছিল অনুরাগীদের মধ্যে। একটা সময় তৈমুরের মতো দেখতে পুতুল বিক্রিও শুরু হয়। তবে যেটা নিয়ে সমালোচনা হয়, তা হল খুদের নাম। অভিনেত্রীর পুত্রসন্তানের নামকরণে চটে যান অনুরাগীদের একাংশ। তাঁদের মতে, তৈমুর লঙ্গের মতো অত্যাচারী নৃপতির নামে ছেলের নাম রাখা উচিত হয়নি করিনা ও সইফের। সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পায়নি ছোট্ট তৈমুরও। ছেলের এই নামকরণের নেপথ্যে করিনা কৃতিত্ব দেন সইফের। অথচ সেই দাবি যেন অস্বীকার করলেন সইফ।
ছোটবেলা থেকেই প্রচারের আলোয় রয়েছে তৈমুর। ছবিশিকারিরা তৈমুরের জন্মের পর থেকে ক্যামেরা তাক করে রেখেছিলেন তার দিকে। প্রতিনিয়ত সন্তানের নাম নিয়ে সমালোচনা সহ্য করাটা বেশ কঠিন ছিল সইফের জন্য। যদিও একটা সময়ে করিনা জানান, সইফ প্রচুর ইতিহাসের বই পড়েন। যে সমস্ত রাজাদের তাঁর ভাল লাগে, তাঁদের নিয়ে ভাবনাচিন্তাও করেন। করিনার কথায়, ‘‘আমার মনে হয় সইফ রাজা তৈমুরের অনুরাগী। ছোটবেলায় খুব পড়ত তাঁকে নিয়ে।’’
মা-বাবার সঙ্গে ছোট্ট তৈমুর।
করিনার এ হেন দাবি যেন ঘৃতাহুতির কাজ করেছিল। তবে ছেলের জন্মের এত বছর পরে সম্প্রতি সইফ বলেন, ‘‘আমাদের পাশের বাড়িতে তৈমুর নামের একটি ছেলে থাকত। এ ছাড়া তৈমুর নামের মানে লোহা। আমার ও করিনার নামটা পছন্দ হয়। আমি তিমুর নামের তুর্কি শাসকের কথা জানি। আমার ছেলের নাম তৈমুর। লোকজন খুব ভুল ভাবে এই নামের ব্যখ্যা করেছে।’’
ছেলের নাম নিয়ে এ হেন বিতর্ক নিয়ে বেশ কয়েক বছর আগে করিনা বলেছিলেন, “কাউকে অসন্তুষ্ট করার জন্য কোনও কিছু করা হয়নি। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দেশে বাক্স্বাধীনতা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, যার যা খুশি সেটা সে সেটা করতে পারে। আমি ও সইফ সেটাই বিশ্বাস করে এসেছি।’’