(বাঁ দিক থেকে) শাহরুখ খান, সেলিম খান, সলমন খান। ছবি: সংগৃহীত।
অনুরাগীদের কাছে তাঁরা ‘কর্ণ-অর্জুন’। তাঁদের বন্ধুত্বের জয়জয়কারও হত এক সময় বি-টাউনে। কিন্তু ২০০৮ সালে শাহরুখ খান ও সলমন খানের সম্পর্কের ছন্দপতন ঘটে। সলমন ও শাহরুখ একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। কোনও ভাবেই নাকি তাঁরা বন্ধু হতে পারেন না, সেই সময়ে এমনই নাকি বলেছিলেন সলমনের বাবা সেলিম খান।
সলমনের প্রাক্তন প্রেমিকা তথা অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কইফের জন্মদিনের পার্টিতে কথা কাটাকাটি শুরু হয়েছিল দুই বলি-তারকার। সেই তর্ক এমন জায়গায় পৌঁছোয় যে, শাহরুখ ও সলমনের দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্ব ভেঙে যায়। প্রায় মুখ দেখাদেখিই বন্ধ হয়ে যায় দু’জনের। তবে এই ঘটনা সলমনকে নাকি গভীর ভাবে প্রভাবিত করেছিল। এক সাক্ষাৎকারে সে কথা নিজেই জানিয়েছিলেন তিনি। তবে, ২০১৩ সালে বাবা সিদ্দীকীর ইদের পার্টিতে আবার তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ সহজ হয়ে যায়। বাবা সিদ্দীকীর উদ্যোগেই নাকি জোড়া লেগেছিল সেই সম্পর্ক। শাহরুখের ‘পাঠান’ ছবিতেও সলমনের বিশেষ উপস্থিতি ছিল। তবে যে সময় শাহরুখ ও সলমনের বিবাদ চলছে, সেই সময়ে সলমনের বাবা সেলিম জানিয়েছিলেন, ওঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব হতে পারে না কারণ ওঁরা নাকি প্রতিদ্বন্দ্বী!
সেলিম সেই সময়ে বলেছিলেন, ‘‘সলমন ও শাহরুখ একে অপরের প্রতিযোগী। কেন বন্ধু হতে যাবে ওরা? কথাবার্তা হতে পারে, কে কী কাজ করছে, তা জানতে পারে। বড়জোর কুশল বিনিময় হতে পারে। ব্যস, এতটুকুই।’’ যদিও মনোমালিন্য মেটার পর একে অপরের বিপদে পাশে ছিলেন তাঁরা। শাহরুখের ছেলে আরিয়ান খানের গ্রেফতারির পরে ঘন ঘন তাঁর বাড়ি যেতেন সলমন। অন্য দিকে সেলিমের অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান শাহরুখও।