সারাকে দেখে কী বলেন তাঁর বাবা-মা? ছবি: সংগৃহীত।
২০ বছরের বড় অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের অন্তরঙ্গ দৃশ্য। বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সারা অর্জুন ও রণবীর সিংহ দু’জনেই। ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে কেন রণবীরের বিপরীতে এত কম বয়সি অভিনেত্রীকে নেওয়া হল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শয্যাদৃশ্য নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। কম বয়সি অভিনেত্রী নেওয়ার নেপথ্যে নাকি বিশেষ কারণ আছে। জানিয়েছেন ছবির পরিচালক আদিত্য ধর নিজেই। কিন্তু কন্যাকে ২০ বছরের বড় নায়কের সঙ্গে পর্দায় অন্তরঙ্গ হতে দেখে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল সারার বাবা-মায়ের?
কন্যাকে পর্দায় দেখে গর্বিত হয়েছিলেন, আনন্দাশ্রু এসেছিল তাঁদের চোখে। সারার কথায়, “এমনও দিন গিয়েছে আমার বাবা-মা দু’জনই আনন্দে চোখের জল ফেলেছেন। সেটাই আমার জীবনের আনন্দের দিন। এই দিনের গুরুত্ব আমার জীবনে অনেক।” তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, পড়াশোনা সংক্রান্ত সাফল্যেই কি বাবা-মায়ের চোখে আনন্দের জল দেখেছিলেন? তখনই সারা জানান, এই আনন্দাশ্রুর নেপথ্যে রয়েছে ‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্য।
এর আগে ‘পোন্নিয়ান সেলভান’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সারা। তার পরে বোর্ডিং স্কুলে চলে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, “বোর্ডিং স্কুলে প়ড়ার সময়ে আমার লক্ষ্য ছিল, বিদেশে গিয়ে ছবি ও অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করার।” তার পরে একে একে তাঁর কাছে আসতে থাকে ছবির সুযোগ। ‘ধুরন্ধর’-এ সুযোগ পাওয়ার পরে সব বদলে যায়। জানান সারা।
রণবীরের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছিলেন সারা। ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে নিজের নায়ককে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, “প্রিয় রণবীর, আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না, তাও চেষ্টা করছি। লোকে বলে, একজন সত্যিকারের অভিনেতা অতিমানবের মতো হয়— নির্ভীক, সীমাহীন ও শক্তিশালী। তুমিও ঠিক তা-ই। দুনিয়া তোমার দক্ষতা দেখছে। কিন্তু তোমার আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল দিকটা প্রতিদিন দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল।” ‘ধুরন্ধর ২’-তে নাকি সারার চরিত্রটি আরও বড় করে তুলে ধরা হবে।