(বাঁ দিকে) রণবীর সিংহ, অরিজিৎ সিংহ (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।
মুক্তির পর থেকেই আলোচনায় ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। ছবিতে রণবীর সিংহের অভিনয় নিয়ে প্রশংসা দিকে দিকে। অন্য অভিনেতারাও সাড়া ফেলেছেন। ছবি জুড়ে রয়েছে বেশ কিছু গান, যেগুলি সমান ভাবে অনুরাগীদের প্লে লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে। শুধু হিন্দি নয়, বিশ্বের নানা প্রান্তের সঙ্গীত উঠে এসেছে এই ছবিতে। সঙ্গীত পরিচালক শাশ্বত সচদেবও উঠে এসেছেন আলোচনায়। এই ছবির প্রথম ও দ্বিতীয় দু’টি পর্বের প্রায় প্রতিটি গানই হিট। যদিও অধিকাংশ গানই কখনও পঞ্জাবি লোকসঙ্গীত থেকে নেওয়া, কিছু গান অন্য কোনও রাজ্যের লোকসঙ্গীত থেকে গৃহীত। তবে এই ছবিতে ‘ফিরসে নয়না বরসে’ গানটি বহুল আলোচিত। গানটি গেয়েছেন অরিজিৎ সিংহ। এই গান গাওয়ার সময় কী অনুভূতি হয় তাঁর, জানালেন শাশ্বত।
‘ফির সে নয়না ভরে’ গানটি শাশ্বতেরই লেখা। ফলে গানটি তাঁর হৃদয়ে একটি বিশেষ জায়গা অধিষ্ঠিত। শাশ্বতের কথায়, ‘‘রাগ খাম্বাজের ছোঁয়ায় বীণার সঙ্গতে গানটিতে এক প্রাচীন কোমলতা এনে দিয়েছে এবং অরিজিৎ এমন এক আবেগঘন গানে যে আত্মসমর্পণ ফুটিয়ে তুলেছিলেন তা ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। গানটি গাওয়ার পর তিনি আমাকে বলেছিলেন যে, গানটি তাঁকে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ করে তুলেছে। এরপর আমাদের মধ্যে খুব আবেগঘন একটি কথোপকথন হয়েছিল এবং সেই কথোপকথনটি আমি সারাজীবন আমার হৃদয়ে বয়ে বেড়াব। সঙ্গীতের কিছু মুহূর্ত নিছক গল্প হয়ে থাকার জন্য নয়। সেগুলো আপনার জীবনের অংশ হয়ে যায়।”
ছবিতে দীর্ঘ কয়েক বছর গুপ্তচর হয়ে পাকিস্তানে কাটানোর পর যখন রণবীর তাঁর গ্রামে ফেরেন সেই সময় রণবীরের আবেগকে একত্রিত করে এই একটি গান। শাশ্বত জানান, আসলে অরিজিৎ বুঝেছিলেন, গানটি আসলে কোন দাবি রাখছে। সেই মতোই তিনি গেয়েছেন।
‘ধুরন্ধর’ মুক্তির আগে শাশ্বত তাঁর ও আদিত্য ধরের সম্পর্কের কথা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান। আদিত্য তাঁর উপরে ভরসা রেখেছিলেন, জানান সঙ্গীত পরিচালক। তিনি বলেন, “আমি আদিত্য ধরের সঙ্গে ২০১৬ সালে দেখা করি। তখন তিনি ‘রাত বাকি’ নামে একটি ছবি বানাচ্ছিলেন, যা পরে ‘ধুম ধাম’ নামে মুক্তি পায়। তখনও আমি কোনও কাজই করিনি। আমার নামে কোনও প্রকাশিত গানই ছিল না। তবুও তিনি আমার উপর বিশ্বাস রেখেছিলেন।” আদিত্য তাঁর প্রথম ছবি ‘উরি’-র সময় থেকে শাশ্বতের সঙ্গে কাজ করছেন। এই পরিচালক সুরকার জুটি প্রতিটি সিনেমা ও গান দু’টিই হিট।