সোহা আলি খান। ছবি: সংগৃহীত।
গত বছর জানুয়ারিতে সইফ আলি খানের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। তাঁর বাড়ির এই ঘটনা সারাদেশে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়ায় সেই সময়ে। তবে একা সইফের বাড়িতে নয়, সোহার বাড়িতেও চোর ঢুকে পর্দার আড়ালে ঘাপটি মেরে দাঁড়িয়ে ছিল। সোহার স্বামী কুণাল খেমু সেই চোরকে ধরেন। তবে সোহা নিজেকে ভীতু আখ্যাই দিয়েছেন।
অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘শোয়ার ঘরের পর্দা সরাতেই কুণাল দেখে, একটা পূর্ণবয়স্ক লোক ঘাপটি মেরে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেখানে। সঙ্গে সঙ্গে কুণাল লাথি মারে লোকটিকে। টাল সামলাতে না পেরে বারান্দা থেকে একেবারে নীচে পড়ে যায় দু’জনেই। তখন আমি পুলিশে খবর দিই। যদিও আমি নিজে কুণালকে সাহায্য করতে পারিনি কারণে ওই ঘটনায় ভয় পেয়ে কোনায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে শুরু করি।’’ সোহা ভেবেছিলেন, সেই চোর মারা গিয়েছে। তাতেই ভয় পেয়ে কান্নাকাটি জুড়ে দেন সোহা।
সোহার কথায়, ‘‘আসলে আমি খুব একটা সাহসী নই। ঘটনাটা মাঝরাতে ঘটেছিল এবং আমি প্রস্তুত ছিলাম না। যদি কিছু আন্দাজ করতে পারতাম তা হলে নিশ্চিত ভাবেই কিছু সাহায্য করতে পারতাম। আসলে আমি মানুষটা সাহসী নই। তাই যখন কিছু ঘটে, তখন আমার ভেতরের সত্তাটা যেন অচল হয়ে যায়। আমি নিজের মনকে বোঝাচ্ছি, যাতে দ্রুত নিজেকে এমন কিছুর থেকে বের করে আনতে পারি।’’