স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জল্পনার মাঝেই তৃষা-বিজয় একসঙ্গে। ছবি: সংগৃহীত।
থলপতি বিজয়ের ২৭ বছরের বিয়ের পথে দাঁড়ি পড়তে চলেছে। স্ত্রীর অভিযোগ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন বিজয়। শোনা যাচ্ছে দক্ষিণী অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণনের সঙ্গে সম্পর্কে তিনি। এই জল্পনার মধ্যেই এক বিয়ের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে ধরা দিলেন বিজয় ও তৃষা। দুই তারকারই অনুরাগী অসংখ্য। তাঁদের একসঙ্গে দেখে অনুরাগীদের একাংশের বক্তব্য, “কোনও লাজলজ্জা নেই।”
সম্প্রতি চেন্নাইয়ে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজয় ও তৃষা। অনুষ্ঠানে তাঁদের একজোটে উপস্থিতির ছবি ও ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, বিজয় হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে গাড়ি থেকে নামছেন এবং তাঁর পিছনে তৃষা হেঁটে আসছেন। প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কি এ ভাবেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে সিলমোহর দিলেন বিজয় ও তৃষা? অন্য দিকে স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিগমের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ যে সত্যিই হচ্ছে, সেই বার্তাও কি দিলেন বিজয়?
সঙ্গীতা পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন। ১৯৯৯ সালে বিজয় ও সঙ্গীতা বিয়ে করেছিলেন। তার পরে একসঙ্গে কাটিয়েছেন ২৭ বছর। দুই সন্তানও রয়েছে তাঁদের। সেই সম্পর্ক সমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে দেখে হতাশ অনুরাগীরাও।
এর মধ্যে আরও একটি বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। বিজয় ও তৃষা বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই বিজয়ের দেহরক্ষী অরুণ সুরেশ একটি পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্টও ধোঁয়াশা তৈরি করেছে। তিনি লেখেন, “সব গুঞ্জনকে সরিয়ে এ বার উঠে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।” তবে তিনি ঠিক কী কারণে এই পোস্ট করেছেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে সেই পোস্ট মুছেও দেন অরুণ।
২০০৪ সালে ‘গিল্লি’ ছবির মাধ্যমে তৃষা ও বিজয়ের রসায়ন দর্শকের মন জয় করে। এর পরে তাঁরা ‘থিরুপাচি’, ‘আথি’ এবং ‘কুরুভি’-র মতো একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেন। বিজয় এবং তৃষার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন বহু দিনের। ২০০৮ সালের পরে একসঙ্গে কোনও ছবিতে অভিনয় করা বন্ধ করে দেন তাঁরা। কারণ, তাঁদের রসায়ন ছায়া ফেলেছিল বিজয়ের সংসারে। তৃষার সঙ্গে ছবি না করার শর্ত চাপিয়েছিল অভিনেতার পরিবার। সেই সময় তাঁরা ঘোষণাও করেন, সবটাই রটনা। তাঁরা শুধুই বন্ধু। দীর্ঘ ১৪ বছরের বিরতির পরে ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লিয়ো’ ছবিতে তাঁদের আবার স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়।