ব্যারাকপুরে পিছিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। ফাইল চিত্র।
২০২১ আর ২০২৬ সালের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন ব্যারাকপুরের জনগণ তাঁকে সাদরে বরণ করে নিয়েছিল। ২০২৬-এ সেই ছবিরই আমূল বদল। একাধিক সংবাদমাধ্যমের ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ‘চোর’ স্লোগান শুনতে শুনতে গণনাকেন্দ্র ছাড়লেন ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পিছিয়ে পড়া তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী।
এখানেই শেষ নয়। এ দিন তাঁর গায়ে কাদাও ছোড়া হয়! এই দৃশ্যও দেখা গিয়েছে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োয়। মাথা নিচু করে গণনাকেন্দ্র ছাড়েন রাজ। কোনও প্রতিবাদ শোনা যায়নি তাঁর মুখ থেকে। রাজকে ঘিরে ছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা ঘিরে নেন প্রযোজক-পরিচালক-রাজনীতিবিদকে। তাঁরাই মুছে দেন রাজের গায়ের কাদা। উপস্থিত সাংবাদিকেরা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে, নীরব থাকেন তিনি। আনন্দবাজার ডট কম পরিচালক-রাজনীতিবিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল একাধিক বার। তাঁর ফোন বেজে গিয়েছে।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল, এ বারের ভোট বদল আনতে পারে। সেই বদলের হাওয়ায় যে এ ভাবে বিপর্যস্ত হতে হবে, বোধহয় ধারণা করতে পারেননি রাজ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রাজের বিপরীতে বিজেপি প্রার্থী কৌস্তুভ বাগচী এগিয়ে রয়েছেন। উভয় প্রার্থীর বড় ব্যবধানই নাকি গণনাকেন্দ্র ছাড়তে বাধ্য করেছে তৃণমূল প্রার্থী রাজকে।
তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
অন্য আর একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গণনাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় বিজেপি সমর্থক জনতা ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেন তৃণমূলের সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি অবশ্য পাল্টা জবাব দেন। বলেন, “শ্রীরামচন্দ্র আমাদের সকলের ঈশ্বর।”