Shyamsundar De Verdict Row

পুলিশি হেফাজতে কলকাতায় প্রযোজক শ্যামসুন্দর, কী বলছেন অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়?

কলকাতা, মুম্বই-সহ একাধিক শহরে আর্থিক প্রতারণার মামলা প্রযোজকের বিরুদ্ধে। চলছে বিচারপ্রক্রিয়া।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৩২
Share:

শ্যামসুন্দর দে-কে নিয়ে কী বলছেন পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়? ফাইল চিত্র।

একাধিক আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। একাধিক মামলা দায়ের বিভিন্ন শহরে। কলকাতা পুলিশের সহযোগিতায় সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি মুম্বই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল প্রযোজক শ্যামসুন্দর দে-কে। পুলিশসূত্রে খবর, রিমান্ডে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে কলকাতায়। শুরু হয়েছে বিচারপ্রক্রিয়া। আপাতত তিনি শেক্সপিয়র সরণি থানার হেফাজতে।

Advertisement

কী ঘটতে চলেছে প্রযোজকের ভাগ্যে? জানতে আনন্দবাজার ডট কম যোগাযোগ করেছিল প্রশাসনের সঙ্গে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত প্রযোজককে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হয়েছিল দিন দুই আগে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তিনি ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে থাকবেন। ১০ দিন পরে ফের তাঁকে নিম্ন আদালতে তোলা হবে।

নিজের শহরে যেমন তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ, তেমনই মুম্বইয়ে পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মোটা অঙ্কের আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই মুম্বই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল তাঁকে। অভিযুক্তের বিচারপ্রক্রিয়া সবে শুরু হয়েছে। কী বলছেন পূজা? অভিনেত্রী হোয়াট্‌সঅ্যাপ বার্তায় লিখে জানিয়েছেন, বিষয়টি বিচারাধীন। তাই এ বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না। পূজা বরাবর বলে এসেছেন, তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী। তাঁর উপরে ভরসা রেখেছেন।

Advertisement

এ দিকে প্রশাসনসূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যে যে শহরে শ্যামসুন্দরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই সব শহরেই বিচারপ্রক্রিয়া চলবে। সেইমতো কলকাতায় তাঁকে আনা হয়েছে। এখানকার বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হলে মুম্বইয়ে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে।

মাসকয়েক আগে পূজার একটি ভিডিয়োবার্তায় নড়েচড়ে বসেছিলেন সবাই। নাম না করে বলিউড-টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অভিযোগ করে বলেছিলেন, ‘‘অনেক দিনের পুরনো এক বন্ধু আমাদের সর্বস্বান্ত করেছেন। আর্থিক ভাবে সব কেড়ে নিয়েছেন। আমরা ওঁকে অন্ধ ভাবে বিশ্বাস করেছিলাম।’’

Advertisement

এর পরেই অভিযুক্ত প্রযোজকের স্ত্রী সমাজমাধ্যমে পাল্টা অভিযোগ করে জানান, গোয়ায় নিয়ে গিয়ে পূজা তাঁর স্বামীকে আর্থিক প্রতারণা করেছেন। মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করেছেন। শ্যামসুন্দর গোয়া প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগও করেন বলে তাঁর স্ত্রী জানান। সেই সময়ে সমস্ত দায় তিনি চাপিয়ে দেন অভিনেত্রী এবং তাঁর স্বামীর উপরে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement