ছবি—ইনস্টাগ্রাম
কয়েক মাস ধরেই খবর ভাসছিল মায়ানগরীর আকাশ-বাতাসে। অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া এবং আপ নেতা রাঘব চড্ডা প্রেম করছেন। সম্পর্কে সিলমোহর পড়েছিল আগেই। শনিবার তাঁদের বাগ্দান হল দিল্লিতে।
আগে অবশ্য এক সাক্ষাৎকারে পরিণীতি জানিয়েছিলেন, কোনও রাজনীতিবিদকে বিয়ে করতে চান না তিনি। তবে, প্রেমে পড়লে যে সব সম্ভব, আবার প্রমাণ করে দিলেন পরিণীতি। কলেজ জীবনের বন্ধু রাঘবকে জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নেওয়ায় মন বোঝা গেল ‘হাসি তো ফাসি’-র অভিনেত্রী।
এক সাক্ষাৎকারে জীবনসঙ্গীর মধ্যে কোন কোন গুণ থাকতে হবে, তার ফিরিস্তি দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। পরিণীতি বলেছিলেন, “যাঁকে ভালবাসব, তাঁকে শক্ত মনের মানুষ হতে হবে। তাঁর রসবোধ থাকাটাও খুব জরুরি। তাঁকে দায়িত্ববান এবং পরিণত মনের হতে হবে। আমার থেকে ২০ বছরের বড় হতে পারেন তিনি, তাতে সমস্যা নেই।”
তিনি জানান, রোম্যান্টিক ডেটে আগে যাননি তিনি। সত্যি সত্যি প্রেমে পড়লে অবশ্যই ডেট করবেন।
নিজের ব্যাপারে তিনি বলেছিলেন, “আমি রান্নাবান্না একেবারেই পারি না। এমনকি চা অবধি বানাতে পারি না। রান্নার ব্যাপারটা একেবারেই উপভোগ করি না। আমার ধৈর্য নেই একেবারেই।”
অভিনেত্রী তাঁর পছন্দ জানিয়ে বলেছিলেন, “তেমন পুরুষ পছন্দ, যিনি নিজেই নিজের জীবন গড়ে নিয়েছেন, প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন।” এর পর পরিণীতি জানান, তাঁর জীবনসঙ্গী হতে চাইলে ঘুরতে ভালবাসতে হবে। অভিনেত্রীকে বলতে শোনা যায়, “আমারই মতো তাঁর আগ্রহের ক্ষেত্র হবে ঘুরতে যাওয়া। সমুদ্র, নদী ভালবাসতে হবে। স্কুবা ডাইভিং করতে চাইবে সে আমার সঙ্গে।”
রাঘব আর পরিণীতির বন্ধুত্বের ভিত্তিই সেই ভ্রমণপ্রেম। লন্ডনে একসঙ্গে কলেজে পড়েছেন। তার পর আলাদা রাজ্যে থেকেও তাঁদের মধ্যে পর্যটন নিয়েই কথা হত। বন্ধুত্ব গভীর হয়েছিল ক্রমশই, সেখান থেকেই প্রেম। প্রথম দিকে অবশ্য প্রকাশ্যে আনতে চাননি কিছুই। ধীরে ধীরে সব খবর জানা যায়। গতকাল বাগ্দানের পর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল তাঁদের সম্পর্ক। সাদা পোশাকে পরস্পরের হাত ধরলেন যুগল। আংটিবদল সেরে চোখে চোখ রেখে হারিয়ে গেলেন দু’জনে। পরিণীতি তাঁদের একসঙ্গে ছবি পোস্ট করে যা লিখেছেন তার মর্মার্থ এই যে, তাঁর প্রার্থনা পূরণ হল এত দিনে।