Locket And Politics

দলের হাতে পশ্চিমবঙ্গ শাসনের ভার! কাঁধে অনেক দায়িত্ব, তাই এখন অভিনয় নিয়ে ভাবছি না: লকেট

লকেট বৃহস্পতিবার মিঠুন চক্রবর্তীর আমন্ত্রণে যোগ দেন ‘আখরি সওয়াল’ ছবির প্রচারে। তাঁর উপস্থিতিই উস্কে দিয়েছে তাঁর অভিনয়ে ফেরার প্রসঙ্গ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ২১:০২
Share:

‘আখরি সওয়াল’ ছবির প্রচারানুষ্ঠানে লকেট চট্টোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।

পর্দায় তাঁর শেষ কাজ ২০১৬ সালে, ‘কিরীটি রায়’ ছবিতে। ২০১৫-য় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে যোগদান। সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। ২০১৬ থেকে ২০২৬, ১০ বছর তিনি স্বেচ্ছায় অভিনয় থেকে দূরে। রাজনীতির আঙিনায় স্বচ্ছন্দ।

Advertisement

২০১৭ সালে বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী নিযুক্ত হন লকেট। সেই তিনি বৃহস্পতিবার বিজেপি বিধায়ক এবং বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ডাকে ‘আখরি সওয়াল’ ছবির প্রচারানুষ্ঠানে! বাংলা ছবি কি লকেটকে আর কখনও ফিরে পাবে না? আনন্দবাজার ডট কম প্রশ্ন করেছিল তাঁকে। কপালে জমে থাকা ঘাম মুছতে মুছতেই চওড়া হাসি। বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী বললেন, “বিজেপি আর শুধুই বিরোধী দল নয়। পশ্চিমবঙ্গের শাসনব্যবস্থার দায়িত্বে। তাই দলের প্রত্যেক কর্মীর দায়িত্ব আরও বেড়েছে। হাতে প্রচুর কাজ। দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।” সে সব সামলে অভিনয় নিয়ে ভাবার অবসরটুকুও নেই তাঁর।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে একদিকে রাজনৈতিক পালাবদল। অন্য দিকে, পালাবদলের ইঙ্গিত বাংলা বিনোদনদুনিয়াতেও। ইতিমধ্যেই টলিউডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের জয়ী চার প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী, হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। তৃণমূল কংগ্রেসের মতো কি গেরুয়া শিবিরও টলিউডের দখল নেবে? জবাবে লকেট বলেন, “সবার আগে টলিউড থেকে ‘ব্যান’ সংস্কৃতি তোলা হবে। কারও কাজ কাড়া যাবে না। কাউকে কাজ থেকে দূরে রাখা যাবে না।” একই সঙ্গে, শিল্পীদের রাজনৈতিক মতাদর্শ কখনও তাঁদের কাজ পাওয়া বা না পাওয়ার কারণ হবে না বলে আশ্বাস দেন তিনি।

Advertisement

ইমপা সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন শুরু করেছেন একদল বিক্ষুব্ধ প্রযোজক। সে প্রসঙ্গও উঠে এসেছে লকেটের কথায়। তিনি বলেন, “সব কানে এসেছে। আমাদের কাছে বিষয়টি এলে অবশ্যই দেখব।” বিজেপি মহিলাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে, অপপ্রচার ছড়ানো হয়েছে। কথাশেষের আগেই লকেটের আশ্বাস, “আমরা কারও কোনও স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করব না। মহিলাদের তো নয়ই। পোশাক, পেশা-- সব বিষয়েই তাঁরা স্বাধীন।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement