জ়ুবিনের মৃত্যুতে নয়া মোড়। ছবি: সংগৃহীত।
গত বছর ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু হয় গায়ক জ়ুবিন গার্গের। অসমের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নির্দেশে জুবিনের মৃত্যু নিয়ে তদন্তের জন্য ‘সিট’ গঠন করে অসম সরকার। গায়কের মৃত্যুতে প্রথম থেকেই অভিযোগের তির ছিল জ়ুবিন-ঘনিষ্ঠদের দিকে। সেই তালিকায় ছিলেন তাঁর ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা। গায়কের মৃত্যু মামলায় গুয়াহাটির ফাস্ট ট্র্যাক আদালত সেই সিদ্ধার্থ শর্মার মালিকানাধীন ‘মহাবীর অ্যাকোয়া’র সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।
সিদ্ধার্থের ছ’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারক শর্মিলা ভূঞা জানান, মামলার প্রধান তদন্তকারী অফিসার এমন বেশ কিছু নথি পেশ করেছেন যা থেকে স্পষ্ট, গায়কের অর্থ যথেচ্ছ ভাবে খরচ করা হয়েছে। একাধিক বেআইনি কাজের সঙ্গেও জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে, যার সঙ্গে সিদ্ধার্থের আয়ের উৎসের সামঞ্জস্য নেই।
এ ছাড়াও এই মামলার বিচারক বলেন, ‘‘সিদ্ধার্থ নিজের, ভাই, মা এবং মিউজ়িক ম্যানেজমেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা এত বিপুল পরিমাণ অর্থের বৈধতা দেওয়ার জন্য কোনও আয়ের উৎসের নথি বা আয়কর ফেরতের দাখিল করে তার সপক্ষে প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।’’
সিদ্ধার্থ ‘মহাবীর অ্যাকোয়া’তে ১.১০ কোটি টাকার যে অঙ্ক বিনিয়োগ করেছেন তার প্রমাণস্বরূপ উপযুক্ত নথিপত্র দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছেন।