Healthy Morning Routine

দীর্ঘায়ু পেতে সকালের সূচনা সঠিক হওয়া দরকার! গড়ে তুলুন ৫ অভ্যাস, অসুখবিসুখও দূরে থাকবে এর ফলে

দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবনের জন্য দিনের সূচনা সঠিক ভাবে হওয়া উচিত। যাতে শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম, হরমোনের ভারসাম্য এবং বিপাকক্রিয়াও ভাল ভাবে কাজ করতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ১১:৪২
Share:

দীর্ঘায়ু পেতে কী করা উচিত সকালে? ছবি: সংগৃহীত।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার প্রথম ১ ঘণ্টা সারা দিনের স্বাস্থ্যের উপর অনেকটাই প্রভাব ফেলে। ঘুম থেকে উঠেই ফোন হাতে নেওয়া, জল না খাওয়া বা সকালের খাবার এড়িয়ে যাওয়া— এই অভ্যাসগুলি দীর্ঘ মেয়াদে শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য দিনের সূচনা সঠিক ভাবে হওয়া উচিত, যাতে শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম, হরমোনের ভারসাম্য এবং বিপাকক্রিয়াও ভাল ভাবে কাজ করতে পারে।

Advertisement

দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য দিনের সূচনা সঠিক ভাবে হওয়া উচিত। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত

দীর্ঘায়ুর জন্য সকালে কী ভাবে দিন শুরু করা উচিত?

১. রোদে সময় কাটান: ঘুম থেকে ওঠার ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রাকৃতিক সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসুন। মোবাইল বা অন্য কোনও পর্দার দিকে তাকানোর আগে গায়ে রোদ লাগানো উচিত। সূর্যালোক শরীরের জৈবিক ঘড়িকে সঠিক সঙ্কেত দেয়। এর ফলে ঘুম এবং জেগে থাকার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমোনগুলিও সঠিক সময়ে নিঃসৃত হতে পারে।

Advertisement

২. জলপান করুন: ঘুম থেকে ওঠার পরই পর্যাপ্ত জল পান করুন। সামান্য নুন মেশানো জলও খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকে, যাতে শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে। রাতভর ঘুমের পরে শরীরে সামান্য জলের ঘাটতি তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তাই সকালে জল পান করলে শরীর দ্রুত সতেজ হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন কোষের স্বাভাবিক কাজকর্মে সাহায্য করে।

৩. শারীরচর্চা করুন: অন্তত ২০-৩০ মিনিট হাঁটা, হালকা ব্যায়াম করা বা স্ট্রেচিং করা দরকার এই সময়ে। তার পরে না হয় চা বা কফি পান করবেন। ঘুম থেকে ওঠার পরে শরীরে স্বাভাবিক ভাবেই কিছু হরমোনের হেরফের হয়। তার উপর যদি ক্যাফিন যায় শরীরে, তা হলে শরীরের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। তাই আগে কিছুটা নড়াচড়া করলে শরীর স্বাভাবিক ভাবে জেগে উঠতে পারে।

৪. পর্যাপ্ত প্রোটিন খান: প্রাতরাশে ডিম, ডাল, পনির, দই বা অন্যান্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিতে পারেন। এর ফলে রক্তে শর্করার আকস্মিক ওঠানামা কমে যায়। পাশাপাশি, দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং পেশির স্বাস্থ্যরক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

৫. সাপ্লিমেন্ট নিন: যাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন বা অন্য সাপ্লিমেন্ট খেতে হয়, তাঁরা এটি সকালের খাবারের সঙ্গে খেতে পারেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement