Ira Khan Gym Session

জিমে ব্যায়াম করা মানেই সুখকর নয়, তারকাদের রিল-ছবির নেপথ্য কাহিনি তুলে ধরলেন আমির-কন্যা

শরীরচর্চা নিয়ে অনেকে যেমন গ্ল্যামার আর অনুপ্রেরণার কথা বলেন, আমির খানের কন্যা আইরার অভিজ্ঞতা মোটেই ততটা সহজ বা আনন্দের নয়, বরং বাস্তবের কঠিন দিকটাই সামনে এনেছেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৪৪
Share:

আইরা খানের শরীরচর্চার যাত্রা। ছবি: সংগৃহীত।

তারকাদের শরীরচর্চার ভিডিয়ো মানেই তাতে আনন্দের আমেজ। প্রত্যেকটি মুহূর্তে ব্যায়াম করার সুখ চোখে পড়ে। কিন্তু সব সময়ে কি জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করায় এতই আনন্দ পান সকলে? সবই কি এতটাই সুন্দর, এতটাই সহজ? সমাজমাধ্যমের এই চিত্র থেকে পর্দা সরালেন আমির খানের কন্যা আইরা খান। রোগা হওয়া বা ফিট থাকার এই যাত্রা যে সব সময়ে সুগম নয়, মানসিক ভাবে যে তা ক্লান্তিকর হতে পারে, সে কথা জানালেন তারকা-কন্যা। বন্ধুর এই পথের কথা বলাতে অনেক সাধারণ মানুষই তাঁর সঙ্গে সহমত হলেন।

Advertisement

শরীরচর্চা নিয়ে অনেকে যেমন গ্ল্যামার আর অনুপ্রেরণার কথা বলেন, আইরার অভিজ্ঞতা মোটেই ততটা সহজ বা আনন্দের নয়, বরং বাস্তবের কঠিন দিকটাই সামনে এনেছেন তিনি। সম্প্রতি আবার জিমে ফিরেছেন আইরা। আবার রোগা হওয়ার যাত্রা শুরু করেছেন। এক সপ্তাহ হয়ে গেলেও এই রুটিন থেকে কোনও প্রকার আনন্দ তাঁকে ছুঁতে পারছে না এখনও। বরং, প্রতি দিনই নিজেকে জোর করে জিমে নিয়ে যেতে হচ্ছে। শরীরচর্চা শুরু করার সিদ্ধান্ত যতটা সহজ মনে হয়, সেটাকে ধরে রাখা ততটাই কঠিন, এই সত্যটাই তিনি স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছেন। যাঁদের কাছে শরীরচর্চা কষ্টকর, যাঁদের কাছে জিমে গিয়ে ব্যায়াম করা শাস্তির মতো, তাঁদের জন্য আইরার এই অকপট স্বীকারোক্তি স্বস্তিদায়ক হতে পারে।

শরীর নয়, মনকে টেনে নিয়ে যাওয়াটাই আদপে কঠিনতম কাজ হয়ে দাঁড়ায়। নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস ভেঙে গেলে আবার শুরু করা মানে শুধু শারীরিক নয়, মানসিক লড়াইও। অনেক সময়ে শরীর সাড়া দেয় না, ক্লান্তি আসে, কখনও মন সাড়া দেয় না। আর তখনই ইচ্ছে করে সব ছেড়ে দিতে। কিন্তু সেই সময়েই আসল পরীক্ষা— নিজেকে বোঝানো, ধৈর্য রাখা এবং ছোট ছোট পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়া।

Advertisement

আইরা জানাচ্ছেন, কোনও অজুহাত দেখিয়ে সপ্তাহে এক দিন জিম কামাই করেন তিনি। তার পরের দিন অজুহাত না থাকলেও এড়িয়ে যান। এই অবস্থায় নিজের সঙ্গে প্রবল লড়াই করতে হয় তাঁকে। তখন নিজেকে শাসন করা শুরু করেন আইরা। জিম শেষ না করলে কাজে যাওয়ার অনুমতি দেন না নিজেকে। কিন্তু আইরার মতো সুযোগসুবিধা সকলের থাকে না। তাই নিজের মতো নিয়ম বানিয়ে নিজেকে শাসন করা শুরু করতে পারেন আপনিও। তবেই ব্যায়াম শুরুর পর আনন্দ পাওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে যাবেন ধীরে ধীরে।

যে কোনও অভ্যাস তৈরি করতে কয়েক সপ্তাহ অন্তত সময় প্রয়োজন। প্রথম কয়েক মধ্যেই অধিকাংশ ফিটনেস যাত্রায় ছেদ পড়ে। কারণ, যাঁরা শরীরচর্চা করা শুরু করেন, তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ‘হ্যাপি হরমোন’ ক্ষরণের জন্য অপেক্ষা শুরু করে দেন। কিন্তু যথেষ্ট কায়িক শ্রম করার আগে সেই মুহূর্তটি তৈরিই হয় না। ফলে মন ভাল করার মতো হরমোনের প্রভাব শুরু হয় না তখনই। তার জন্য অপেক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। শুরুর দিকে শরীরচর্চার মধ্যে থাকে অনীহা, ক্লান্তি, হতাশা, এমনকি নিজের সঙ্গে দ্বন্দ্বও। কিন্তু সেই কঠিন সময়গুলিই আসল পরিবর্তনের পথ তৈরি করে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement