আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (আইএসএস)। ছবি: সংগৃহীত।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (আইএসএস)-এর একটি অংশে লিক হয়েছে বলে খবর। ওই অংশটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে রাশিয়া। তাঁদের কয়েক জন মহাকাশচারী সেই লিকের উৎস খুঁজে মেরামত করার চেষ্টা করছেন। আইএসএসে সওয়ার পাঁচ মহাকাশচারী বাধ্য হয়ে আশ্রয় নিয়েছেন স্পেসক্রাফট বা মহাকাশযানে। নাসার বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে।
নাসার সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি মডিউল এবং মহাকাশে অবতরণ করার ডকিং হ্যাচের মধ্যে যে সুড়ঙ্গ থাকে, তাতেই সম্ভবত লিক হয়েছে। শুক্রবার তা মেরামতির চেষ্টা চলছে। নাসার প্রেস সচিব বেথানি স্টিভেনস জানিয়েছেন, সতর্ক করে স্পেসএক্স ক্রিউ-১২-র চার জন এবং নাসার এক মহাকাশচারীকে ড্রাগন স্পেসক্রাফটে আশ্রয় নিতে বলা হয়।
ড্রাগন স্পেসক্রাফটে আশ্রয় নিয়েছেন নাসার জেসিকা মের, জ্যাক হ্যাথওয়ে, ইউরোপিয়ান স্টেস এজেন্সির সোফি অ্যাডনট, রাশিয়ার রসকসমস কসমোনটের আন্দ্রে ফেডইয়ায়েভ। রুশ মহাকাশ যানে চেপে আইএসএসে গিয়েছিলেন নাসার ক্রিস উইলিয়ামস। তিনিও আশ্রয় নিয়েছেন ড্রাগন স্পেসক্রাফটে।
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আইএসএসে দু’টি লিকের উৎসের খোঁজ পেয়েছে রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা কসমোনট। মহাকাশচারীদের ঝুঁকি নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।
আইএসএসের বয়স ২৫ বছর। এর আগেও তাতে লিক ধরা পড়েছে। ২০১৯ সালে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত জ়েভেজ়দা মডিউলে সেই লিক ধরা পড়ে। ২০২৪ সালে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়। পরে তা মেরামত করা হয়।