Celina Jaitly’s Beauty Secret

টানা ২১ দিন খেয়েই ত্বকের হারানো জেল্লা ফিরে এসেছে! কিসের কথা বলেছেন সেলিনা জেটলি?

সমাজমাধ্যমে প্রায়ই নিজের সারা দিনের টুকিটাকি মুহূর্ত অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন সেলিনা জেটলি। সম্প্রতি তিনি নিজের একটি ঝকঝকে ছবি দিয়েছেন। অভিনেত্রীর চেহারায় জেল্লাভাব স্পষ্ট। শুধু মাত্র ছবি নয়, কী ভাবে মাত্র ২১ দিনেই ত্বকের জেল্লা বাড়িয়েছেন, সেই হদিসও দিয়েছেন অভিনেত্রী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ১৭:২০
Share:

কি খেয়ে জেল্লা ফেরালেন সেলিনা? ছবি: সংগৃহীত।

বড় পর্দার সঙ্গে সেলিনা জেটলির বহুদিন তেমন যোগাযোগ নেই। তবু পারিবারিক কলহের কারণে বার বারই খবরের শিরোনামে উঠে আসেন অভিনেত্রী। এখন তিনি সমাজমাধ্যমে প্রায়ই নিজের সারা দিনের টুকিটাকি মুহূর্ত ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে। সম্প্রতি তিনি নিজের একটি ঝকঝকে ছবি দিয়েছেন। অভিনেত্রীর চেহারায় জেল্লাভাব স্পষ্ট। শুধু মাত্র ছবি নয়, কী ভাবে মাত্র ২১ দিনেই ত্বকের জেল্লা বাড়িয়েছেন, সেই হদিসও দিয়েছেন অভিনেত্রী।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে ‘নো এন্ট্রি’ ছবির অভিনেত্রী জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর সুস্থ থাকার রুটিনে টানা ২১ দিন ধরে ‘গোন্দ কাতিরা’ যোগ করেছেন। আর তাতেই নাকি সুফল পেয়েছেন। অভিনেত্রী লিখেছেন “এক টানা ২১ দিন গোন্দ কাতিরা খাওয়া, সঙ্গে অবশ্যই ব্যায়াম আর একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণেই আবার আমি হারানো জেল্লা ফিরে পেয়েছি। মানসিক চাপের প্রভাব অনেকটাই পড়েছিল ত্বকে।’’

সেলিনার এই পোস্ট দেখে মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, গোন্দ কাতিরা বিষয়টি ঠিক কী? বাংলায় এতে বলা হয় কতিলা, এটি আসলে এক বিশেষ ধরনের গাছের আঠা। অনেক বাড়িতেই হয়তো পেট ঠান্ডা রাখার জন্য ঠাকুরমা, দিদিমারা কতিলা খান। সেলিনা বলেন, ‘‘তিনি রোজ রাতে জলে এক টুকরো কতিলা ভিজিয়ে রাখেন। পরের দিন সকালে সেই পানীয়টি খেয়ে নেন।’’

Advertisement

ত্বকের জেল্লা ফেরাতে আদৌ কতটা উপকারী কতিলা?

চিকিৎসক গরিমার তিওয়ারির মতে, গরমের দিনে রোজের ডায়েটে কতিলা রাখা ভীষণ উপকারী। এটি পেটকে ঠান্ডা রাখে, শরীরে জলের ঘাটতি মেটাতেও সাহায্য করে। গরিমা বলেন, ‘‘এতে দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে, যা হজমশক্তি উন্নত করতে, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এবং শরীর আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। অনেকে ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও কতিলা খান। যদিও এর সঙ্গে ত্বকের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। তবে হজম ভাল হলে, শরীরে জলের ঘাটতি না হলে, তার পরোক্ষ প্রভাব পড়বে ত্বকের উপরেই। ত্বকের জেল্লা বাড়বে। দাগছোপ দূর হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement