Meditation Technique

সন্তান পড়া মনে রাখতে পারে না? মনঃসংযোগ বৃদ্ধিতে ধ্যান করার অভ্যাস করান, কত ক্ষণ করতে হবে?

শিশুর বয়স অনুযায়ী ধ্যানের পদ্ধতি বাছতে হবে বাবা-মাকে। কী ভাবে ও কত ক্ষণ ধ্যান করালে মনঃসংযোগ বৃদ্ধি হবে তা জেনে রাখা জরুরি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৭:৪৫
Share:

ছোটদের কী ভাবে ধ্যান করাবেন? ছবি: ফ্রিপিক।

শিশু অস্থির। পড়াশোনায় মন নেই। কড়া হাতে শাসন করতে গিয়ে হিতে বিপরীতও হচ্ছে। এতে সন্তান আরও বেশি অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে, অবসাদও গ্রাস করছে অনেককে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কোনও কাউন্সেলিংয়ের প্রয়োজন নেই। রোজ সকালে অন্তত ১০ মিনিট ধ্যান বা মেডিটেশনের অভ্যাস করাতে পারলে ভাল হয়।

Advertisement

ধ্যানের কোন কোন পদ্ধতি শিশুর জন্য সহজ হবে?

ক্যান্ডল মেডিটেশন

Advertisement

ঘর অন্ধকার করে একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে দিন। শান্ত হয়ে বসে মোমবাতির শিখার দিকে তাকিয়ে থাকতে বলুন সন্তানকে। চোখের পাতা না ফেলে যত ক্ষণ পারবে তাকিয়ে থাকুক। মন বার বার বিক্ষিপ্ত হবে, কিন্তু অভ্যাস করলে মন স্থির হবে খুব তাড়াতাড়ি। যে শিশুদের মনোযোগ কম, অস্থিরতা ও চঞ্চলতা বেশি, তাদের জন্য খুবই উপযোগী হতে পারে এমন ধ্যান।

বাউন্ডারি বাবল

চোখ বন্ধ করে আরামদায়ক ভঙ্গিতে বসুন। এ বার শ্বাস নিতে নিতে কল্পনা করুন আপনার চারদিকে খুব উজ্জ্বল আলোর বলয় রয়েছে। মনের যত নেতিবাচক ভাবনা, খারাপ চিন্তা সেই বলয়ে নিমজ্জিত করুন। এ বার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে মনে করুন সেই বলয়টি আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। গবেষকেরা বলছেন, এই ধরনের মেডিটেশন চিন্তাশক্তি উন্নত করে, খারাপ চিন্তা মনে আসতে দেয় না।

মাইন্ডফুল লিসেনিং

বিভিন্ন শব্দ, যেমন পাখির ডাক, বৃষ্টির শব্দ, কোনও বাজনা ইত্যাদির দিকে ছোটদের মনোযোগ দিতে বলা হয়। এতে একাগ্রতা বাড়ে।

৩-৩-৩ ব্রিদিং

সুখাসন বা পদ্মাসনে বসে করতে হবে। চোখ বুঝে স্থির হয়ে বসে ৩ সেকেন্ড ধরে গভীর ভাবে শ্বাস টানতে বলুন, ৩ সেকেন্ড ধরে থেকে ও পরের ৩ সেকেন্ডে ধীরে ধীরে শ্বাস বার করে দিতে হবে। ২ মিনিট ধরে এই পদ্ধতিতে শ্বাস নেওয়া ও ছাড়া করলে, মন স্থির হবে। রোজ অভ্যাস করালে মনঃসংযোগ বাড়বে। মন যেহেতু শ্বাস টানা ও ছাড়ার দিকে থাকবে, তাই ওই সময়ে আলাদা চিন্তাভাবনাও মাথায় আসবে না।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement