Isabgol for Weight Loss

১ মাসেই ওজন কমাতে চান? রোজ খেতে হবে ইসবগুল! জেনে নিন, খাওয়ার সঠিক সময় আর নিয়ম

রোগা হওয়ার জন্য মানুষ কত কী কসরত করেন! ডায়েটে চিয়া বীজ, তুলসীর বীজ, তিসির বীজও রাখেন কেউ কেউ। অথচ ইসবগুলকে তেমন গুরুত্ব দেন না। অথচ এই উপকরণটি রোগা হওয়ার পথ অনেকটাই সহজ করে দিতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ ১৬:৪৬
Share:

কী ভাবে ইসবগুল খেলে ওজন কমবে? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

যাঁরা বয়স্ক, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, ইসবগুল তাঁদেরই ‘জরুরি ওষুধ’ বলে জনমানসে পরিচিত। কিন্তু যদি জানতে পারেন, ইসবগুল ওজনও কমাতে পারে, তা হলে? রোগা হওয়ার জন্য কত লোক কত কসরত করেন! ডায়েটে চিয়া বীজ, তুলসীর বীজ, তিসির বীজও রাখেন কেউ কেউ। অথচ ইসবগুলকে তেমন গুরুত্ব দেন না। অথচ এই উপকরণটি রোগা হওয়ার পথ অনেকটাই সহজ করে দিতে পারে।

Advertisement

ইসবগুল কী ভাবে ওজন ঝরাতে সাহায্য করে?

১) ইসবগুলের দ্রবণীয় ফাইবার পাকস্থলীতে জল শোষণ করে ফুলে ওঠে। ফলে ইসবগুল খেলে পেট অনেক ক্ষণ ভরা থাকার অনুভূতি হয়। এই উপকরণটি খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। অতিরিক্ত খাওয়ার বা ঘন ঘন স্ন্যাক্সজাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমায়, যার ফলে শরীরে ক্যালোরিও কম ঢোকে।

Advertisement

২) ওজন কমাতে হলে সবার আগে হজমপ্রক্রিয়া ভাল করতে হবে। হজম ঠিকঠাক না হলে পেট পরিষ্কার হবে না, গ্যাসের সমস্যা বাড়বে। হজমশক্তি ভাল রাখতে ইসবগুল অতুলনীয়। এটি এমন একটি উপকরণ যার তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, মোটামুটি সবাই খেতে পারেন।

৩) ইসুবগুল পরিপাকতন্ত্রে চর্বি শোষণের গতি ধীর করতে পারে। যার ফলে শরীরের আনাচকানাচে মেদ জমতে পারে না, ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কী ভাবে খাবেন ইসবগুল?

১) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে হলে এক গ্লাস গরম দুধ বা জলে ১-২ চা চামচ ইসবগুল গুলে খেতে হবে ঘুমোনোর ৩০ মিনিট আগে।

২) যদি পেট খারাপ হয় সে ক্ষেত্রে এক কাপ দইয়ে ১-২ চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে হবে খাওয়াদাওয়ার ঠিক পরে।

৩) আর ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে এক গ্লাস গরম জলে ১-২ চা চামচ ইসবগুল গুলে খেতে হবে খাওয়াদাওয়ার ২০-৩০ মিনিট আগে।

ইসবগুল শরীরে গেলে অনেকটা জল শুষে নেয়। তাই ইসবগুল খেলে সারা দিন বেশি করে জল খেতে হবে। না হলেই কিন্তু শরীরে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা বাড়বে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement