পেটের মেদ কমাবে কোন কোন পানীয়? ছবি: ফ্রিপিক।
দীর্ঘ দিনের চেষ্টায় ওজন যদিও বা কমানো যায়, পেটের মেদ কিছুতেই ঝরতে চায় না। শরীরচর্চা, ডায়েট, অফিসে লিফ্টে ওঠার বদলে সিঁড়ি ভাঙা— পরিশ্রম করেও পেটের বাড়তি মেদ ঝরাতে কালঘাম ছুটে যায়। অনেকে আবার নিয়ম করে হাঁটতেও যান। তাতে সুফল যে বিশেষ পাওয়া যায়, তা নয়। পেট, কোমরের মেদ যদি দ্রুত ঝরাতে হয়, তা হলে শুধু শরীরচর্চাই যথেষ্ট নয়। খাওয়া বাদ দিয়ে উপোস করলে বরং পুষ্টির ঘাটতি থেকে যাবে। তাই নিয়ম করে পান করুন কিছু পানীয় যা শরীর 'ডিটক্স' করবে, পাশাপাশি ওজনও কমাবে। এই সব পানীয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
পুদিনা পাতার চা
গরম কালে সকাল সকাল এক কাপ পুদিনা পাতার চা সারা দিন তরতাজা রাখবে। পুদিনা পাতা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। রোগা হতে চাইছেন যাঁরা, রোজ যদি পুদিনা পাতা দিয়ে তৈরি পানীয় খেতে পারেন, সত্যিই উপকার মিলবে। পুদিনার বহু গুণ রয়েছে। ওজন ঝরানোর পাশাপাশি পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও পুদিনা দারুণ উপকারী।
পালং শাক-আপেলের স্মুদি
আপেল, শসা কুচি করে কেটে নিয়ে ব্লেন্ডারে ভাল করে পিষে নিন। তাতে পালং শাকের কুচি ও চিয়া বীজ দিয়ে ফের ব্লেন্ড করে নিন। মিহি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এ বার এতে কাঠবাদামের দুধ, পাতিলেবুর রস মিশিয়ে উপর থেকে পুদিনা পাতা ছড়িয়ে দিন। এই স্মুদি রোজের ডায়েটে রাখলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যাবে। ওজনও কমবে।
শসা, তরমুজ ও জিরের স্মুদি
শসাতে ফ্যাট নেই। ক্যালোরির পরিমাণও কম। যাঁরা চটজলদি ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা খুব উপকারী। এ ছাড়া শসাতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা বিপাকহার বাড়িয়ে ওজন ঝরাতে সহায়তা করে। তরমুজও কম ক্যালোরিযুক্ত ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে জল রয়েছে, যা শরীরের জন্য উপকারী। জিরে শরীরের হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং খিদে মেটায়। তাই ওজন ঝরাতে এই স্মুদি খুবই কার্যকর।