বেশি ঘাম হবে না, ত্বকও থাকবে সতেজ, কী কী মাখবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
বৈশাখের গরমে নাজেহাল। দিনের বেলা বাইরে বেরোলেই দরদর করে ঘাম ঝরছে। অত্যধিক ঘাম হওয়ার ফলে তার প্রভাব তো শরীরে পড়ছেই। সেই সঙ্গে ঘামের কারণে ত্বকের অবস্থাও খারাপ হচ্ছে। অতিরিক্ত ঘাম হলে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে পড়ে। ফলে ব্রণ, র্যাশের মতো নানা সমস্যার বাড়বাড়ন্ত হয়। প্রচণ্ড গরমে আবার হিট র্যাশের সমস্যাও হয়। মুখ-গলা বেশি ঘামলে সেখানে চুলকানি, ফুস্কুড়ি হতে দেখা যায়। তাই গরমের সময়ে ত্বকের চাই বাড়তি যত্ন। ত্বক সতেজ রাখতে কী কী মাখবেন?
রাস্তায় বেরনোর আধ ঘণ্টা আগে কী ভাবে ত্বকের পরিচর্যা করবেন?
শসা ও লেবুর রস
শসার রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে তুলো দিয়ে মুখ ও গলায় মাখুন। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। এটি ঘাম হওয়া অনেক কমিয়ে দেবে।
চন্দন ও গোলাপজল
চন্দন ত্বককে ঠান্ডা রাখে। চন্দনগুঁড়োর সঙ্গে ঠান্ডা গোলাপ জল মিশিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। মুখ ও গলায় লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তার পর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সতেজ রাখবে।
টম্যাটো ও মধুর প্যাক
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া ঠেকাতে এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। টম্যাটো ঘাম নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি ত্বকের কালচে দাগছোপ দূর করতেও সাহায্য করে। একটি পাকা টম্যাটোর রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে মুখে মেখে রাখুন ১৫ মিনিট। ধোয়ার পর দেখবেন মুখ অনেক সতেজ লাগছে।
মুলতানি মাটি ও পুদিনার প্যাক
মুলতানি মাটি অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় এবং পুদিনা ত্বককে শীতল রাখে। ২ চামচ মুলতানি মাটি, ১ চামচ পুদিনা পাতা বাটা অল্প জলে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাক মুখ ও গলায় লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন বার ব্যবহার করলে অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
ওট্স ও দুধের প্যাক
ওট্স ত্বকের প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। দুধ কালচে দাগছোপ দূর করে। ১ চামচ ওট্সের গুঁড়োর সঙ্গে দুধ মিশিয়ে মুখে ৫-৭ মিনিট মালিশ করুন। এর পর আরও ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।