ছবি : সংগৃহীত।
ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে দামি ক্রিমের বদলে নারকেল তেলে আস্থা রাখেন অনেকেই। কিন্তু ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য যে নারকেল তেল মাখছেন, তাতে কি ভেজাল মিশছে? নারকেল তেলে পাম অয়েল বা অন্য ভেজাল তেল মেশানো হলে সাদা চোখে তা বুঝতে পারার কথা নয়। কিন্তু সেই তেল যদি নিয়মিত ভাবে ত্বকে লাগানো হতে থাকে, তবে উপকারের চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তেলে ভেজাল মেশানো হয়েছে, তা বোঝার জন্য অবশ্য ল্যাবরেটরিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে থাকা সাধারণ জিনিস দিয়েই প্রাথমিক কিছু পরীক্ষা করে নিতে পারেন।
১. ফ্রিজিং টেস্ট
নারকেল তেলের একটি বিশেষ গুণ হলো এটি ঠাণ্ডায় খুব দ্রুত জমে যায়। একটি স্বচ্ছ কাঁচের গ্লাসে বা বোতলে কিছুটা নারকেল তেল নিন। এটি ৩০ মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। তেল যদি পুরোটাই সাদা হয়ে জমে যায়, তবে বুঝবেন তেল খাঁটি। যদি তেলের ওপর কোনো আলাদা স্তরের সৃষ্টি হয় বা কিছু অংশ তরল থেকে যায়, তবে বুঝবেন তাতে ভেজাল মেশানো আছে।২. ঘ্রাণ ও স্বাদ পরীক্ষা
খাঁটি নারকেল তেলের একটি মিষ্টি এবং সতেজ সুবাস থাকে। তালুতে সামান্য তেল নিয়ে ঘষুন। যদি খুব কড়া কৃত্রিম গন্ধ বা বাজে কোনও তেলের গন্ধ পান, তবে তাতে ভেজাল থাকতে পারে। খাঁটি তেল মুখে দিলেও কোনও খারাপ স্বাদ লাগে না।
৩. তাপ পরীক্ষা
একটি পাত্রে সামান্য নারকেল তেল নিয়ে গরম করুন। খাঁটি নারকেল তেল গরম করলে কোনো ধোঁয়া হবে না এবং তেলের রঙ স্বচ্ছ থাকবে। যদি তেল থেকে বুদবুদ ওঠে বা রঙ কালচে হয়ে যায়, তবে বুঝবেন এতে অন্য রাসায়নিক বা তেল মেশানো আছে। ৪. স্বচ্ছতা পরীক্ষা
স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে তেলটি নিয়ে আলোর সামনে ধরুন। খাঁটি তেল সবসময় স্বচ্ছ এবং পরিষ্কার দেখাবে। যদি তেলের ভেতর কোনো তলানি বা ঘোলাটে ভাব দেখেন, তবে তা ভেজালের লক্ষণ হতে পারে।