AI Device for Cholesterol

কোলেস্টেরল কি বাড়ছে? মেপে নিন বাড়িতে, অনলাইনেই পাওয়া যায় এমন যন্ত্র, দাম কত?

হার্টের রোগ আছে। কোলেস্টেরল মাঝেমধ্যেই ঊর্ধ্বসীমা পেরিয়ে যায়। কখন তা বাড়ছে, বোঝার জন্য রক্ত পরীক্ষা করাতে যেতে হবে না। কোলেস্টেরলের পাল্লা কত ভারী, তা বোঝার মতো যন্ত্র এখন পাওয়া যায়। মেপে নিতে পারেন বাড়িতেই।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৪
Share:

কোলেস্টেরল বাড়িতে মাপবেন কী ভাবে? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক।

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে শুনলেই বেশির ভাগ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়! কোলেস্টেরল বাড়লেই হৃদ্‌রোগেরও ঝুঁকিও বেড়ে যায়। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস রক্তে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরলের মাত্রা ক্রমাগত বাড়িয়ে দেয়। যাঁর উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে বা পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে, তাঁর চিন্তা আরও বেশি। কোলেস্টেরল বাড়ছে কি না, তা বুঝতে মাঝেমধ্যেই রক্ত পরীক্ষা করাতে হয়। এ বার থেকে সেই ঝামেলা পোহাতে হবে না। কারণ বাড়িতে সুগার মাপার মতো, কোলেস্টেরল মাপার যন্ত্রও পাওয়া যায়। অনলাইনে তা সহজলভ্য।

Advertisement

বাড়িতে কী ভাবে মাপবেন কোলেস্টেরল?

বাড়িতে কোলেস্টেরল মাপার জন্য 'মাল্টি-মনিটরিং সিস্টেম' বা 'কোলেস্টেরল মিটার' ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি দেখতে অনেকটা ডায়াবিটিস মাপার গ্লুকোমিটারের যন্ত্রের মতো। এই যন্ত্রগুলির উন্নত সংস্করণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগও হচ্ছে এখন। এতে এমন এআই চিপ বসানো থাকে, যা রক্তের নমুনা দেখেই বলে দিতে পারে কোলেস্টেরলের মাত্রা কতটা, কী পরিমাণে বেড়েছে ট্রাইগ্লিসারাইড। শুধু তা-ই নয়, রক্তে ভাল কোলেস্টেরল (এইচডিএল) কতটা কমেছে আর খারাপ (এলডিএল) কতটা বেড়েছে, তার অনুপাতও বলে দিতে পারে ঝটপট।

Advertisement

এমন অনেক কোলেস্টেরল মিটার বেরিয়ে গিয়েছে এখন, যাতে ব্লুটুথ লাগানো থাকে। সেটি আবার ফোনের অ্যাপের সঙ্গে যোগ করা যায়। এর লাভ হল, কোন সময়ে কোলেস্টেরল কী পরিমাণে বাড়ছে বা কমছে, তার রেকর্ড রাখা যায়। এই রেকর্ড দেখে বোঝা যেতে পারে, হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা আছে কি না।

যন্ত্রটিতে কী ভাবে মাপবেন কোলেস্টেরল?

৯ থেকে ১২ ঘণ্টা খালি পেটে থাকলে ভাল। তা হলে মাপ ঠিকমতো আসবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পরীক্ষা করলে সবচেয়ে ভাল রিডিং পাওয়া যাবে। যন্ত্রটিতে এআই চিপ বসানো থাকে, আর থাকে কয়েকটি স্ট্রিপের সেট। সেই স্ট্রিপ মেশিনে ঢোকালেই যন্ত্রটি প্রস্তুত হয়ে যায়। এর পর ঠিক গ্লুকোমিটারের মতো আঙুলের ডগায় ফুটিয়ে রক্ত সেই স্ট্রিপে ফেলতে হবে। সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে মেশিনের স্ক্রিনে কোলেস্টেরল কত, সেই রিডিং ফুটে উঠবে। তবে পরীক্ষাটি করার আগে আঙুল ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

যন্ত্রটি অনলাইনে পাওয়া যায়। এর দাম ব্র্যান্ডের ধরনের উপর নির্ভর করে। সাধারণত কোলেস্টেরল মিটার বা মাল্টি মনিটরিং সিস্টেমের দাম শুরু হয় সাড়ে ৩ হাজার টাকা থেকে। ভাল ব্র্যান্ডের কিনলে দাম ৮০০০ থেকে ২৮০০০ টাকাও হতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement