ব্যায়ামের পর দেহের যন্ত্রণা কমাবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।
কঠিন ব্যায়ামের পর দিন শরীরের পেশিতে টান, ব্যথা বা অস্বস্তি হওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। অনেক দিন পরে শরীরচর্চা শুরু করলেও ব্যথা হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই ব্যথা বাড়ে। তাই এই ধরনের যন্ত্রণাকে ‘ডিলেড অনসেট মাস্ল সোরনেস’ বলা হয়। পেশির ভিতরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র টান বা ক্ষতির ফলে এই ব্যথা হয়। পরে ঠিকও হয়ে যায়। তবে এই ব্যথার সঙ্গে যাপন করতেই হবে, তার মানে নেই। কিন্তু তাই বলে ওষুধ খাওয়ারও প্রয়োজন পড়ে না। বরং ব্যথা কমানোর জন্য কিছু সহজ ঘরোয়া পন্থা অবলম্বন করতে পারেন। নিয়ম মেনে করলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।
কঠোর পরিশ্রমের পর পেশিতে ব্যথা? ছবি: সংগৃহীত
১. স্ট্রেচিং: ব্যায়ামের পর পেশিগুলি শক্ত হয়ে যায়, ফলে টান ও ব্যথা বাড়ে। হালকা স্ট্রেচিং করতে হবে রোজ নিয়ম করে। এর ফলে পেশি প্রসারিত হওয়ার সুযোগ পায়। ফলে ব্যথা অনেকটাই কমে যায়।
২. গরম সেঁক: গরম সেঁক বা গরম জলে স্নান করলে বেশ আরাম মিলতে পারে। গরম ভাপ পেশিকে শিথিল করে, রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং জমে থাকা বর্জ্য পদার্থ বার হতে সাহায্য করে। এতে ব্যথা ও আড়ষ্ট ভাব কমে যায়।
৩. জলপান: পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার পেশি মেরামত করতে সাহায্য করে, আর জল শরীরকে আর্দ্র রাখে। শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার করতে সাহায্য করে জল। জল কম খেলেই পেশির ব্যথা আরও বেড়ে যেতে পারে।
৪. মালিশ: ব্যথার জায়গাগুলিতে নিজের হাত দিয়ে আলতো করে মাসাজ করলে আরাম মিলতে পারে। এতে রক্তসঞ্চালন বেড়ে যন্ত্রণা কমে যেতে পারে।
৫. স্বাস্থ্যকর খাওয়া: স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া করলে ব্যথামুক্তি হতে পারে। বিশেষ করে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন এই সময়ে। প্রোটিনের অ্যামাইনো অ্যাসিড পেশি মেরামত করতে সাহায্য করে।