ডায়েট করার সময় খিদে সঙ্গী হচ্ছে? খিদে সামাল দেবেন কী ভাবে? ছবি:সংগৃহীত।
ওজন কমাতে হলে ক্যালোরির ঘাটতি জরুরি, বলেন ফিটনেস প্রশিক্ষকেরা। মানে প্রতি দিন যত ক্যালোরির দরকার হয় শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য, তার চেয়ে কম ক্যালোরি শরীরে যেতে হবে। দৈনিক অন্তত ৪০০-৫০০ ক্যালোরির ঘাটতি হলে, মেদ গলা সহজ হবে।
ক্যালোরির ঘাটতি হতে পারে দুই ভাবে। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় ক্যালোরির অঙ্ক কষে তার চেয়ে একটু কম ক্যালোরির খাবার খেতে হবে। না হলে বাড়তি ক্যালোরি ঝরিয়ে ফেলতে হবে শারীরচর্চা বা কায়িক শ্রমের দ্বারা।
সেই কারণেই ওজন কমাতে হলে, খাওয়াদাওয়ায় পরিমিতি বোধ জরুরি। ডায়েট শুরু করলে দিনের বিভিন্ন সময়ে খিদে পাওয়াটা খুব স্বাভাবিক, বলছেন চেন্নাইয়ের পুষ্টিবিদ রাজ গণপথ। মেদ গলানোর জন্য ডায়েট শুরু করলে, ক্যালোরির মাত্রা নির্দিষ্ট হয়ে যায়। ফলে, যিনি বেশি খেয়ে অভ্যস্ত তাঁর পক্ষে খিদে পাওয়াটা স্বাভাবিক।
রাজের কথায়, ডায়েটে অল্প বা মাঝারি খিদে পাওয়া খুব স্বাভাবিক। খিদে তখন পায়, যখন শরীরে শক্তির দরকার হয়। এই সময়ে দু’টি উপায় হতে পারে। শরীরের যে শক্তি দরকার, তার জন্যই খাবার খাওয়া। আর দ্বিতীয় পন্থা হল, শরীরকে তার প্রয়োজনীয় শক্তি, জমে থাকা মেদ থেকে খরচ করতে উদ্বুদ্ধ করা। অর্থাৎ সঙ্গে সঙ্গে না খাওয়া। শরীরের সঞ্চিত মেদ থেকে শরীর যখন শক্তি সংগ্রহ করবে, তখনই তা গলা শুরু হবে।
কিন্তু খিদে পেলে, তা আটকানোর উপায় কী?
ক্রমাগত খিদে পেলে না খেয়ে থাকা যায় না। তবে এ ক্ষেত্রে তা একটু সহ্য করার পরামর্শ দিচ্ছেন রাজ। তাঁর কথায়, প্রতি বার হালকা থেকে মাঝারি খিদে পেলে তবেই সেই খাবার খান। খিদে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নয়, বরং এক ঘণ্টা বা দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর খাবার খেতে হবে।
(প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা। প্রত্যেকের শরীর এবং ডায়েটে প্রতিক্রিয়া আলাদা হয়। ডায়েট করার সময় বেশি খিদে পেলে অবশ্যই পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।)