Neetu Kapoor Fitness Tips

নিয়মিত সাঁতার কাটেন আলিয়ার শাশুড়ি! ব্যবহার করেন না সানস্ক্রিন, রোজ কী খেয়ে এত ফিট নীতু

বয়স বাড়লেও কী ভাবে নিজেকে এতটা ফিট, প্রাণবন্ত ও সতেজ রাখা যায়? এই প্রশ্নের মুখোমুখি প্রায়ই হতে হয় অভিনেত্রী নীতু কপূরকে। প্রাচীন পন্থায় বিশ্বাসী নীতু আজও তরুণ প্রজন্মকে দশ গোল দিয়ে দিতে পারেন ফিটনেসে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ১৮:০২
Share:

রণবীরের মা নীতুর ফিটনেস রহস্য। ছবি: সংগৃহীত।

৭০-এর কোঠা আর বেশি দূরে নেই। ৬৭-তেও নীতু কপূরের ফিটনেস দেখে ঈর্ষান্বিত হতে পারেন ২০-৩০ বছর বয়সিরা। আর তাঁর সুস্থতার রহস্য লুকিয়ে রোজের যাপনে। তা ছাড়া শিকড়ের কাছাকাছি থাকতে পারেন তিনি। তা সে খাদ্যাভ্যাসে হোক বা ত্বকচর্চায় অথবা শারীরচর্চায়। প্রাচীন পন্থায় বিশ্বাসী নীতু আজও তরুণ প্রজন্মকে দশ গোল দিয়ে দিতে পারেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের স্বাস্থ্যকর রুটিনের ঝলক তুলে ধরলেন বলি তারকা রণবীর কপূরের মা।

Advertisement

বয়স বাড়লেও কী ভাবে নিজেকে এতটা ফিট, প্রাণবন্ত ও সতেজ রাখা যায়? এই প্রশ্নের মুখোমুখি প্রায়ই হতে হয় অভিনেত্রীকে। সম্প্রতি তিনি জানালেন, তাঁর ফিটনেস ও সুস্থ থাকার মূলমন্ত্র খুব জটিল কিছু নয়। তিনি ভারতীয় খাবার খান, প্রতি দিন শারীরচর্চা করেন এবং জীবনের বেশির ভাগ সময় কখনওই সানস্ক্রিন ব্যবহারও করেননি, বরং সূর্যালোকের সংস্পর্শেই সুস্থতার পথ খুঁজে পেয়েছেন।

নীতুর সকালের রুটিনের দৈর্ঘ প্রায় আধ ঘণ্টা। দিনের শুরুতেই করজোড়ে কৃতজ্ঞতা জানান সেই সব মানুষকে, যাঁদের কথা মনে পড়ে। তার পর রোদে গিয়ে দাঁড়ান বেশ খানিক ক্ষণ। গভীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করেন। যোগাসনও করেন সকালে। সূর্যের আলো গায়ে নিয়ে দিন শুরু করেন আলিয়ার শাশুড়ি। এই বয়সেও প্রায়শই সাঁতার কাটেন তিনি। তাই হয়তো এখনও তন্বী চেহারা ধরে রাখতে পেরেছেন নীতু।

Advertisement

ভারতীয় খাবার ছাড়া মুখে তোলেন না রণবীরের মা। কিনোয়া, অ্যাভোকাডো, পাস্তা, পিৎজ়া, চিয়া বীজ ইত্যাদির বদলে তুলসির বীজ অর্থাৎ সবজা, আটার রুটি, অপরিশোধিত চালের ভাত খান তিনি। সঙ্গে শাকসব্জি, মাছ, ডিম থাকতেই হবে। ঋষি কপূরের স্ত্রীর কথায়, ‘‘বেশি খেলেই শরীরে অস্বস্তি শুরু হয়, পেটফাঁপার মতো সমস্যায় ভুগতে হয়। আর কম খেলে অনেক বেশি সতেজ থাকা যায় দেখেছি।’’

ভারতীয় সুষম খাদ্যতালিকায় কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফাইবার এবং বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। তাই অকারণে কঠোর ও বিদেশি ডায়েটের প্রয়োজন নেই সুস্থ থাকার জন্য। বদলে ভারসাম্যপূর্ণ খাবারের উপর জোর দেওয়াই বেশি কার্যকর।

তবে নীতুর মতো সানস্ক্রিন ব্যবহার না করার ঝুঁকি নেওয়া উচিত কি? চিকিৎসকদের মতে, এই অভিজ্ঞতা ব্যতিক্রম হিসেবেই দেখা উচিত। তাঁরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন, সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের বার্ধক্য ত্বরান্বিত করতে পারে, রোদে পোড়া, ত্বকের ক্ষতি এমনকি ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। তাই নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ অভ্যাস।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement