Vinesh Phogat

এশিয়ান গেমসে যাওয়া হচ্ছে না বিনেশের, ট্রায়ালে হেরে কুস্তি সংস্থার দিকে তোপ, ঝামেলা বাধল রেফারির সিদ্ধান্তেও

সুপ্রিম কোর্টের ছাড়পত্র পেয়ে এশিয়ান গেমসের ট্রায়ালে নেমেছিলেন। তবে প্রতিযোগিতায় যাওয়া হচ্ছে না বিনেশ ফোগাটের। ট্রায়ালের সেমিফাইনালে মীনাক্ষী ফোগাটের কাছে ৪-৬ পয়েন্টে হেরে গিয়েছেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ১৮:৪২
Share:

বিনেশ ফোগাট। ছবি: পিটিআই।

সুপ্রিম কোর্টের ছাড়পত্র পেয়ে এশিয়ান গেমসের ট্রায়ালে নেমেছিলেন। তবে প্রতিযোগিতায় যাওয়া হচ্ছে না বিনেশ ফোগাটের। ট্রায়ালের সেমিফাইনালে মীনাক্ষী ফোগাটের কাছে ৪-৬ পয়েন্টে হেরে গিয়েছেন তিনি। বিনেশ বার্তা দিয়েছেন, ‘আমি ফিরবই’। পাশাপাশি এক হাত নিয়েছেন কুস্তি সংস্থাকেও। বিনেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ নিয়েও বিতর্ক হয়েছে।

Advertisement

প্যারিস অলিম্পিক্সের ফাইনালে বাতিল হওয়ার পর প্রথম বার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচে নেমেছিলেন বিনেশ। নাটক শুরু হয় সকাল থেকেই। বিনেশকে জানানো হয় তাঁকে শুধু ৫০ কেজি বিভাগেই নামতে দেওয়া হবে। বিনেশ প্রতিবাদ করেন। ভারতীয় কুস্তি সংস্থার উদ্দেশে বিদ্বেষমূলক আচরণের অভিযোগ করেন। পরিস্থিতি দেখে জাতীয় কুস্তি সংস্থার সভাপতি সঞ্জয় সিংহ এসে হস্তক্ষেপ করেন এবং বিনেশকে ৫৩ কেজি বিভাগে নামার অনুমতি দেন।

প্রথম রাউন্ডে জ্যোতির বিরুদ্ধে ৭-১ জেতেন বিনেশ। এর পর কোয়ার্টারে নিশুর বিরুদ্ধে সমস্যায় পড়েন। চার পয়েন্ট থ্রো দিয়ে বিনেশের বিরুদ্ধে ৫-০ এগিয়ে যান নিশু। টেকনিক্যাল সমস্যা এবং একাধিক চ্যালেঞ্জের জন্য বার বার লড়াই থামাতে হয়।

Advertisement

এক সময় বিনেশ ম্যাটে ফেলে দিয়েছিলেন নিশুকে। তখনই তাঁর স্বীমা সোমবীর রাঠি এবং বাকিরা উৎসব শুরু করেন। কিন্তু চ্যালেঞ্জের পর জানানো হয়, রেফারি ভুল করে বাঁশি বাজিয়েছেন। ফলে চার পয়েন্টের কথা থাকলেও বিনেশকে দেওয়া হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে সোমবীর ম্যাটে ঢুকে জলের বোতল ছুড়ে ফেলেন। তর্ক শুরু করেন আম্পায়ারদের সঙ্গে। বিনেশ সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে জেতেন।

এর পর একটি আর্ম থ্রোয়ের জন্য বিনেশ ২ পয়েন্ট পান। তবে বিনেশের দাবি ছিল, তাঁকে ৪ পয়েন্ট দিতে হবে। সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে লাভ হয়নি। বিনেশ হেরে যান। তখন বিনেশ এবং সোমবীর ভিডিয়ো ফুটেজ দেখতে চান। আশ্বাস দেওয়া হলেও তা দেখানো হয়নি। সেই সময় রিভিউ টেলিভিশনে সমস্যার কারণে রিভিউ দেখা যায়নি। দু’পক্ষের কোচেদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। চলে আসেন সভাপতি সঞ্জয়ও। বেশ কিছু ক্ষণ বন্ধ থাকে ম্যাচ।

সেই সময়ে বিনেশের মনোযোগ নড়ে গেলেও ম্যাচটি ৭-৬ পয়েন্টে জেতেন তিনি। সেমিফাইনালে ওঠেন। হেরে গিয়ে কাঁদতে দেখা যায় নিশুকে। রেফারির সঙ্গে হাতও মেলাননি তিনি। বিনেশ তাঁকে শান্ত করেন।

তবে সেই ম্যাচের প্রভাব পড়ে সেমিফাইনালে। চেষ্টা করেও পুরনো ছন্দে ফিরতে পারেননি বিনেশ। হেরে যান মীনাক্ষীর কাছে।

পরে তিনি বলেন, “আমি মনে করি না ব্যর্থ হয়েছি। আমি এই ব্যবস্থাটার বিরুদ্ধেই লড়াই করতে নেমেছিলাম। প্রতিটি পয়েন্টের জন্য লড়াই করতে হয়েছে। আমি সঠিক ভাবে সুযোগ দেওয়া হয়নি। যারা আমার বিরুদ্ধে লড়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনও বিদ্বেষ নেই। ওরা আমার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখেছে। আমি ফিরে আসবই।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement