প্রস্থোডন্টিস্ট দিবসে কলকাতায় বিশেষ অনুষ্ঠান। — নিজস্ব চিত্র।
দাঁতের বিন্যাস ও মুখহ্বরের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা আসলে খুবই কম জনসাধারণের মধ্যে। এ দিকে প্রযুক্তির সাহায্যে নিত্যনতুন চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কৃত হচ্ছে। কোথাও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে চিকিৎসা হচ্ছে, কোথাও বা ক্যাড ক্যামের সাহায্যে। আর সেই সমস্ত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই প্রস্থোডন্টিস্ট দিবসে কলকাতায় বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছিল। দাঁতের কার্যকারিতা, মুখমণ্ডল নিয়ে সমস্যা, আত্মবিশ্বাস এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য ফেরাতে প্রস্থোডন্টিক্সের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা এই অনুষ্ঠানে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে। সৌজন্যে দি ইন্ডিয়ান প্রস্থোডন্টিস্ট সোসাইটি, ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চ।
প্রস্থোডন্টিক্সের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা এই অনুষ্ঠানে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়। — নিজস্ব চিত্র।
ইন্ডিয়ান প্রস্থোডন্টিক সোসাইটি পশ্চিমবঙ্গ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই জনসচেতনতা অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে ছিলেন চিকিৎসক, সরকারি প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আধিকারিক, সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিল্প জগতের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষও।
দাঁত প্রতিস্থাপন সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মনে করেন ইন্ডিয়ান প্রস্থোডন্টিক সোসাইটি (পশ্চিমবঙ্গ শাখা)-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চিকিৎসক উদয় বীর গান্ধী। অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও ভাবনা ব্যাখ্যা করে বলেন, দাঁত প্রতিস্থাপনের সাম্প্রতিক চিকিৎসা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা অত্যন্ত প্রয়োজন। এবং এই চিকিৎসা অনেকের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে। প্রস্থোডন্টিক্স কী ভাবে শারীরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়, তা-ও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টেরা। — নিজস্ব চিত্র।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টেরা। কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর আশিস বসু, কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বর্মা, প্রাক্তন ডিজিপি রাজ কানোজিয়া, চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিচালক-লেখক অংশুমান প্রত্যুষ, লোকগানের শিল্পী সুস্মিত বসু এবং টলিউডের অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তী প্রমুখ।
গাছে জল দেওয়ার মাধ্যমের আরোগ্যবার্তা ছড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। তার পর একাধিক সাংস্ক়ৃতিক অনুষ্ঠান হয় জনসাধারণের বিনোদনের জন্য। এক দিকে যেমন অতিথিরা প্রস্থোডন্টিস্টদের সঙ্গে কথা বলেন, অন্য দিকে সাধারণ মানুষেরাও চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। দাঁতের বিন্যাস ও মুখমণ্ডল, চোয়াল, ঘাড় এবং মুখগহ্বরের প্রয়োজন ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ম্যাক্সিলোফেশিয়াল প্রস্থেসিস ও নানা আধুনিক পদ্ধতি নিয়ে কথাবার্তা হয় সেখানে।