ছবি : সংগৃহীত।
কালো কিশমিশ জলে ভিজিয়ে নিয়মিত খেতে পারলে তার নানা উপকার। তবে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জরুরি যেটি, সেটি হল অ্যাসিডিটি সামলানোর ক্ষমতা। সকালে রোজ যদি খালি পেটে ভেজানো কালো কিশমিশ খাওয়া যায় তবে অ্যাসিডিটি কমবে তো বটেই। পেটের স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে। কী ভাবে? জেনে নিন।
১. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
কালো কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এটি অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
২. হজমশক্তি বাড়ে
ভেজানো কিশমিশ হজম প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করে। এটি পাকস্থলির এনজাইমের কার্যকারিতা বাড়িয়ে খাবার দ্রুত হজম হতে সাহায্য করে, যার ফলে পেট ফাঁপা বা গ্যাস হওয়ার প্রবণতা কমে।
৩. অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে
কালো কিশমিশে থাকা ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম রক্তে ও পেটে অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি দীর্ঘদিনের অম্বলের সমস্যা কমাতে উপকারী।
৪. পেট পরিষ্কার রাখে
ভেজানো কিশমিশের জল এবং কিশমিশ লিভার ও অন্ত্র থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে, যার প্রভাব আপনার ত্বকেও দেখা যায়।
৫. রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি
এটি পেটের ভাল ব্যাকটেরিয়াকে সুস্থ রাখে। ফলে তা অন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভাল রাখতে সাহায্য করে। আর অন্ত্র ভাল থাকলে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।
খাওয়ার নিয়ম
পরিমাণ: রাতে ৮-১০টি কালো কিশমিশ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
সময়: সকালে উঠে খালি পেটে প্রথমে কিশমিশ ভেজানো পানিটুকু পান করুন এবং তারপর কিশমিশগুলো ভালো করে চিবিয়ে খান।
সতর্কতা: কিশমিশে প্রাকৃতিক শর্করা বেশি থাকে। তাই আপনি যদি ডায়াবেটিসের রোগী হন, তবে এটি নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।