Migraine Precautions

প্রস্রাবের বেগ থেকে ঝাপসা দৃষ্টি, মাইগ্রেনের যে পূর্বলক্ষণগুলি অনেকের কাছেই অচেনা

মাথাব্যথার নানা ধরন আছে। ব্যথা মানেই যে তা মাইগ্রেন এমন নাও হতে পারে। আবার মাইগ্রেনের ব্যথা যখন চাগাড় দিয়ে ওঠে, তখন আগে থেকেই কিছু উপসর্গ ফুটে ওঠে যা মাইগ্রেন বলে মনেই হয় না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫১
Share:

মাইগ্রেনের কিছু অচেনা লক্ষণ। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

এক বার শুরু হলে ব্যথা কমার নামই নেই। একটা গোটা দিন তো বটেই, টানা ২-৩ দিন ধরে দেখবেন মাথাব্যথা ভোগাচ্ছে। এই ধরনের মাথাব্যথা একটানা চলতে থাকলে চিকিৎসকেরা মাইগ্রেনের ব্যথা কি না তা পরীক্ষা করে দেখেন। একটা সময় মনে করা হত, বয়স্করাই বুঝি এমন ব্যথায় ভোগেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, কমবয়সিদের মধ্যেও মাইগ্রেনের ব্যথা দিন দিন বাড়ছে।

Advertisement

মাথাব্যথার নানা ধরন আছে। ব্যথা মানেই যে তা মাইগ্রেন এমন না-ও তে পারে। আবার মাইগ্রেনের ব্যথা যখন চাগাড় দিয়ে ওঠে, তখন আগে থেকেই কিছু উপসর্গ ফুটে ওঠে। মাইগ্রেন যে তলে তলে বাসা বাঁধছে, তার লক্ষণ কেবল মাথাব্যথা বা বমি ভাব নয়। আরও কিছু লক্ষণ থাকে, যা মাইগ্রেন বলে শুরুতে মনেই হয় না। সেই সব লক্ষণ যদি চিনে রাখা যায়, তা হলে অসুখ মাথাচাড়া দেওয়ার আগেই প্রতিরোধের উপায় বার করা সম্ভব হবে।

মাইগ্রেন শুরুর আগের কিছু লক্ষণ

Advertisement

ঘন ঘন হাই তোলা

পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও দেখবেন হাই উঠছে। শরীর ক্লান্ত। এ ক্লান্তি কাটবে না কিছুতেই। গবেষণায় দেখা গিয়েছে মাইগ্রেন যখন হয় তখন ডোপামিন হরমোনের বদল ঘটে। সে কারণেই ক্লান্তি বেড়ে যায়, ঘন ঘন হাই উঠতে থাকে।

খাই খাই ভাব

খিদে প্রচণ্ড বেড়ে যাবে। পেট ভরে খাওয়ার পরেও মনটা খাই খাই করবে। এ ক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছেই যে হবে তা নয়, নোনতা খেতেও মন চাইতে পারে। অর্থাৎ, ‘ফুড ক্রেভিং’ বেড়ে যাবে। বিঞ্জ ইটিং-এর প্রবণতা বাড়বে। মাইগ্রেন আসার আগে বিপাকীয় বদল ঘটে যায় শরীরে। যে কারণে খিদে ভাব বেড়ে যায়।

ঘাড় শক্ত হতে পারে

অনেকে ভাবেন শোয়ার দোষে ঘাড় ব্যথা করছে, কিন্তু মাইগ্রেনের রোগীদের ক্ষেত্রে মাথাব্যথা শুরুর ঠিক আগে ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া বা ব্যথা হওয়া খুব সাধারণ একটি উপসর্গ।

ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ

একে ডায়াবিটিস ভাবলেই ভুল হবে। মাইগ্রেন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেও প্রস্রাবের বেগ ঘন ঘনই আসতে পারে। গবেষণা বলছে, মাইগ্রেনের সময় মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের মাত্রা পরিবর্তিত হয়, যা মূত্রাশয়ের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। সেরোটোনিন এক ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার যা মস্তিষ্কের স্নায়ুতে বার্তা বহন করে। ঘুম, হজমপ্রক্রিয়া, মানসিক উত্তেজনা সবই নিয়ন্ত্রণ করে এটি। এর ঘাটতি হলে তখন নানা সমস্যা শুরু হয়।

মেজাজের আচমকা বদল

হঠাৎ করেই খুব বিষণ্ণ বোধ করা কিংবা অতিরিক্ত উত্তেজিত বা খিটখিটে হয়ে যাওয়া মাইগ্রেনের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। কোনও কারণ ছাড়াই বারে বারে ‘মুড সুয়িং’ হতে থাকলে তা মাইগ্রেনের লক্ষণও হতে পারে।

ঝাপসা দৃষ্টি

এটি সকলের ক্ষেত্রে না হলেও অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়। চোখের সামনে আঁকাবাঁকা রেখা, আলোর বিন্দু বা সাময়িকভাবে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়াও মাইগ্রেনের লক্ষণ হতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement