দ্রুত ওজন ঝরাতে কী ভাবে খাবেন এসিভি? ছবি: সংগৃহীত।
ওজন কমাতে খাওয়াদাওয়ায় রাশ টানার কথা ভাবছেন অনেক দিনই। কিন্তু তা আর হয়ে উঠছে কোথায়! রোজই ভাবছেন, ডায়েট শুরু করবেন, কিন্তু লোভনীয় খাবার দেখলে আর ডায়েট মেনে চলার কথা মাথাতেও আসে না। জিমে ভর্তি হয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। আলসেমির ঠেলায় অর্ধেক দিনই যাওয়া হচ্ছে না জিমে। ফলে ওজন কমা তো দূর, হজমের সমস্যাও বেড়ে চলেছে দিনের পর দিন। ওজন যদি কমাতেই হয়, তা হলে খুব কম খেয়ে বা উপোস করে রোগা হওয়ার চেষ্টা করা বৃথা। তার চেয়ে শরীরে জমা মেদ কমবে কী উপায়ে, তা নিয়ে ভাবা জরুরি। নিয়ম করে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার (এসিভি) ঠিক নিয়ম মেনে ডায়েটে রাখতে পারলে কিন্তু ওজন কমার পথটি অনেকটাই মসৃণ হয়ে যায়।
অ্যাপেল সাইডার ভিনিগারে থাকা অ্যাসেটিক অ্যাসিড খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। মূলত অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাসের কারণেই ওজন বাড়ে। নিয়ম করে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার খেলে ভাজাভুজি দেখলেও লোভ সামলানো সম্ভব হবে। তা ছাড়া এই ভিনিগার বিপাকহার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি দ্রুত হারে ঝরে যায়। হজমশক্তির উন্নতিতে এই ভিনিগারের উপর ভরসা রাখা যায়। তবে সঠিক নিয়ম মেনে খেলেই ঝরবে ওজন। রোজের ডায়েটে কী ভাবে রাখবেন অ্যাপল সাইডার ভিনিগার, রইল হদিস।
এসিভি লেমন ডিটক্স পানীয়: এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জলে ১ টেবিল চামচ এসিভি, অর্ধেকটা লেবুর রস, ১ চিমটে দারচিনির গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে। এই পানীয় বিপাকহার বৃদ্ধি করতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গ্যাস, পেট ভারের সমস্যা থেকে রেহাই পেতেও এই পানীয়ের উপর ভরসা রাখতে পারেন।
এসিভি শসার স্যালাড: একটি শসা পাতলা গোল টুকরো করে কেটে নিন। এ বার একটি পাত্রে ১ টেবিল চামচ এসিভি, অর্ধেক লেবুর রসের সঙ্গে শসাগুলি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার শসার মিশ্রণে সামান্য বিটনুন, গোলমরিচগুঁড়ো, ধনেপাতাকুচি আর পুদিনাপাতাকুচি মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্যালাড। এই স্যালাড হজমেও সাহায্য করে আর শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতেও বেশ উপকারী।
এসিভি গ্রিন স্মুদি: আধকাপ পালংশাক, অর্ধেকটি সবুজ আপেল, ১টি শসা, ১টি ডাবের জল, ১ টেবিল চামচ এসিভি সবগুলি মিক্সিতে ঘুরিয়ে স্নুদি বানিয়ে নিন। সকালে টাটকা বানিয়ে খালিপেটে এই স্মুদি খেলে পেট অনেক ক্ষণ ভরা থাকে। এতে থাকে ভাল মাত্রায় ফাইবার দ্রুত হারে ওজন ঝরানোর জন্য বেশ উপকারী।