কালনার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগের বাড়িতে তল্লাশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর। — নিজস্ব চিত্র।
এ বার কালনার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগের বাড়িতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। সোমবার মধ্যরাতে দেবপ্রসাদের বাড়ি ঘিরে তল্লাশি চালায় তারা। দু’দিন আগে গ্রেফতার হওয়া কালনা-২ নম্বর ব্লক সভাপতি প্রণব রায়কে সঙ্গে নিয়েই বিধায়কের বাড়িতে আসে পুলিশ। তবে বাড়িতে দেবপ্রসাদ নেই বলেই জানা গিয়েছে।
সোমবার রাতে দেবপ্রসাদের বাড়ির সামনে স্থানীয়দের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। এলাকায় তৈরি হয় উত্তেজনা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। প্রণবকে সঙ্গে নিয়েই দেবপ্রসাদদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান করছে পুলিশ ও বাহিনী।
উল্লেখ্য, তৃণমূলের কালনা দু’নম্বর ব্লক সভাপতি প্রণবের দলীয় কার্যালয় থেকে সরকারি বিভিন্ন ত্রাণের ত্রিপল, ট্রাইসাইকেল, ক্র্যাচ-সহ অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। চুরি, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে কালনা থানার পুলিশ। সোমবার ধৃতকে কালনার এসিজেএম আদালতে হাজির করানো হয়। পুলিশ তাঁকে সাত দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত ৩১ মে তোলাবাজি এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বর্ধমান পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার পরে তাঁকে এ রাজ্যে আনার প্রক্রিয়া শুরু করে তারা। এই পূর্ব বর্ধমানেরই পূর্বস্থলী উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা হয়। ত্রাণ সামগ্রী ‘চুরি’র অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধেও। তপনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ত্রিপল-সহ প্রচুর পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী। এ ছাড়াও, এই জেলার আরও দুই তৃণমূল নেতাকে ১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। কাটোয়া থেকে দু’জনকে ধরা হয়।