শরীর সুস্থ রাখতে কোন কোন আসন অভ্যাস করবেন মেয়েরা? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
সুস্থ থাকতে ব্যায়ামের কোনও বিকল্প নেই। তা সকলের জন্যই সমান জরুরি। তবে মহিলাদের শরীরের গঠন, জীবনের প্রতি পর্বে হরমোনের বদল এবং মানসিক চাপের ধরন পুরুষদের থেকে অনেকটাই আলাদা। তাই ব্যায়ামের ধরনও কিছুটা আলাদা হওয়াই স্বাভাবিক। মেয়েদের পেশি ও হাড়ের ক্ষয় যত দ্রুত হয়. সে জন্য মহিলাদের পেশির জোর বৃদ্ধির ব্যায়াম বেশি জরুরি। আবার বাতের ব্যথাবেদনায় মহিলারাই বেশি ভোগেন। বয়স চল্লিশ পেরোলে কখনও কোমরে ব্যথা, তো কখনও পায়ের যন্ত্রণা কাবু করে। তার জন্যও আলাদা ব্যায়াম আছে।
কোন কোন যোগাসন অভ্যাস করবেন মেয়েরা?
বালাসন বা চাইল্ড পোজ়
হাঁটু মুড়ে গোড়ালির উপর বসতে হবে। তার পর কোমর থেকে শরীরের উপরের অংশ সামনের দিকে হেলিয়ে দিন। শরীরটা এমন ভাবে ঝুঁকিয়ে আনুন, যাতে বুক ঊরুতে গিয়ে ঠেকে। মাথা ম্যাটের উপরে ঠেকিয়ে হাত দু’টি সামনের দিকে প্রসারিত করে দিন। শ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই ভঙ্গিতে ৩০ সেকেন্ড থেকে আগের অবস্থানে ফিরে আসুন। এই আসন অন্তত তিন সেট করতে হবে।
মালাসন
প্রথমে মাটিতে বসুন। পিঠ যেন টান টান থাকে। তার পর দুই পা দু’দিকে দিয়ে, হাঁটু মুড়ে উবু হয়ে বসুন। দু’পা যথা সম্ভব কাছাকাছি রাখুন। হাত দু’টি নমস্কারের ভঙ্গিতে একসঙ্গে জড়ো করুন। প্রণাম করার ভঙ্গিতে দু’টি হাত এমন ভাবেই রাখবেন যেন দু’টি কনুই দুই হাঁটু স্পর্শ করতে পারে। টানা ৩-৪ মিনিট এই আসনে থাকার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় আসুন। অনিয়মিত ঋতুস্রাব, ঋতুস্রাব চলাকালীন ব্যথা-যন্ত্রণা লাঘব করতে এই ব্যায়াম কার্যকর।
শশাঙ্গাসন
প্রথমে বজ্রাসনে বসুন। তার পর মাথা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে চেষ্টা করুন কপাল দিয়ে হাঁটু ছুঁতে। এ বার হাত দিয়ে দু’পায়ের গোড়ালি ধরুন। স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। তার পর ধীরে ধীরে মাথার তালু মাটিতে ছুঁইয়ে দশ বার গুণে ছেড়ে দিন। প্রথমেই এতখানি না পারলে অভ্যাস করলে ধীরে ধীরে পারবেন।