Staying healthy at 60

বয়সের পরোয়া নেই, ৬৩ বছরেও ‘ফিট’ অর্চনা পূরণ সিংহ! রোজের কোন কোন রুটিন বদলেছেন?

হিলহিলে কোমর আর কাচের মতো ঝকঝকে ত্বকের পিছনে না ছুটলেও অর্চনা সুস্বাস্থ্যের কথা ভেবেছেন। সেই পরিশ্রমেরই ফসল ৬৩ বছর বয়সে তাঁর ফিটনেস।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ২০:৩৯
Share:

রুটিনে কী কী বদল আনলেন ৬৩-র অভিনেত্রী? ছবি: সংগৃহীত।

নায়িকাসুলভ ‘সুন্দরী’ অভিনেত্রীদের নিয়েই আলোচনা হয় বেশি। কিন্তু অভিনেত্রী অর্চনা পূরণ সিংহ নায়িকা হওয়ার শর্তে নিজেকে না বেঁধেই হয়ে উঠেছেন ছোট পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। তার জন্য হিলহিলে কোমর আর কাচের মতো ঝকঝকে ত্বকের পিছনে না ছুটলেও অর্চনা সুস্বাস্থ্যের কথা ভেবেছেন। সেই পরিশ্রমেরই ফসল ৬৩ বছর বয়সে তাঁর ফিটনেস। সম্প্রতি সেই ফিটনেসেরই রহস্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রীর পুত্র আর্যমান শেট্টী।

Advertisement

আর্যমান জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের রুটিনে বেশ কিছু বদল এসেছে সম্প্রতি। আর সেই বদল এনে মা আগের থেকে বেশি ভালও আছেন। কী কী বদল এনেছেন অর্চনা? আর্যমান তাঁর এক ভিডিয়ো ব্লগে বলেছেন, ‘‘এখন ভর সন্ধ্যা। আমার মা এখন নিজের ঘরে হাঁটাচলা করে বেড়াচ্ছেন!’’

এর পরে অর্চনাই ওই ব্লগে জানান নিজের নতুন রুটিন সম্পর্কে। অভিনেত্রী বলেন, ‘‘আমি কয়েকটা নতুন রুটিন অনুসরণ করতে শুরু করেছি। এক, রাতের খাবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে সেরে ফেলা। আর দুই, রাতের খাবার খাওয়ার পরে ঘরে বা ছাদে বা বারান্দায় কিংবা বাগানে অন্তত ১০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করা।’’

Advertisement

কেন অর্চনার এই অভ্যাস উপকারী?

১. দ্রুত হজম: রাতের খাবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে খেয়ে নিলে ঘুমোনোর আগে শরীর খাবার হজম করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। এতে অ্যাসিডিটি বা বদহজমের সমস্যা কমে এবং বিপাকের হারও উন্নত হয়। যা সার্বিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: খাওয়ার পরে অন্তত ১০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, যা দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবিটিসকে ঠেকিয়ে রাখতে কার্যকরী।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস শরীরের ক্যালোরি ঝরানোর ক্ষমতা খানিকটা কমিয়ে দেয়। অর্চনা সন্ধ্যার মধ্যেই খাবার খেয়ে নিচ্ছেন। তারপর হাঁটাচলাও করছেন। এতে তাঁর শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।

৪. ভাল ঘুম: খাওয়ার পর হালকা হাঁটাচলা করলে শরীর শিথিল হয়, যা রাতে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।

মোট কথা, ৬৩ বছর বয়সে নিজেকে ফিট থাকতে ওই ছোট ছোট অভ্যাসই বড় ভূমিকা পালন করে। তাই অর্চনার অভ্যাস তাঁকে ভিতর থেকে সুস্থ রেখে এই বয়সেও কর্মক্ষম রেখেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement