Sanju Samson Cheat Meal

পান্তাভাত আর শুঁটকি! বিশ্বকাপের মাঝে ৩ মাসের ডায়েট ভুলে আর কী খেতে চেয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন?

বড় ম্যাচের প্রস্তুতির অঙ্গ হিসাবেই বিশ্বকাপের তিন মাস আগে সঞ্জু স্যামসন শুরু করেছিলেন কড়া ডায়েট। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের এক সপ্তাহ আগে আর সেই নিয়ম মানতে পারলেন না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬ ২০:৪৩
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

ব্যাট হাতে ক্রিজে নামলে তাঁর মনোযোগ নড়ানো মুশকিল। টি২০ বিশ্বকাপে তার সুফলও পেয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। তবে খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে সব সময় ততটা সংযত থাকতে পারেন না ৩১ বছর বয়সি এই কেরলের এই ক্রিকেট তারকা। তাঁর ব্যক্তিগত রাঁধুনি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীনই তিনি এক বার নিজের কড়া ডায়েটের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ‘চিট’ করেছিলেন।

Advertisement

যে কোনও বড় খেলার আগেই সঞ্জু নিজেকে নানা ভাবে প্রস্তুত করেন। তাঁর ব্যক্তিগত রাঁধুনি সুরেশ পিল্লাই জানিয়েছেন, সঞ্জু ফোন সুইচড অফ করে রাখেন, সমাজ মাধ্যমে থাকেন না, নিজেও চুপচাপ হয়ে যান। সেই প্রস্তুতির অঙ্গ হিসাবেই বিশ্বকাপের তিন মাস আগে সঞ্জু শুরু করেছিলেন কড়া ডায়েট। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের এক সপ্তাহ আগে আর সেই নিয়ম মানতে পারলেন না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে হারিয়ে তখন ফুটছে গোটা দল। অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলে খুশি সঞ্জুও। পিল্লাই জানিয়েছেন, ফোনটা তাঁর কাছে এল ম্যাচের পরের দিন। ২ মার্চ। সন্ধ্যা ৭টার সময়।

সঞ্জুর ম্যানেজার ফোন করে সুরেশকে বললেন, সঞ্জু এতটাই খুশি যে ‘চিট মিল’ (ডায়েট না মেনে খাওয়া পছন্দের খাবার) খেতে চাইছে। সেই চিট মিল কী? এ প্রশ্নের জবাবে সঞ্জুর ম্যানেজার যা বলেছিলেন, তা শুনে থ রাঁধুনি!

Advertisement

সঞ্জু চেয়েছেন, পাজ়ানকাঞ্জি আর মাছ। যা কেরলের এক ধরনের পান্তা ভাত যা শুঁটকি মাছ দিয়ে পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া কাপ্পা আর চামান্তি। কাপ্পা হল কেরলে পাওয়া এক ধরনের মূল জাতীয় আলুর মতো সব্জি যা সেদ্ধ করে নারকেল কোরা দিয়ে রান্না করা হয়। আর চামান্তি আদতে কাঁচালঙ্কা, পেঁয়াজ, নারকেল, লঙ্কা এবং আরও নানা ধরনের মশলা দিয়ে তৈরি কেরলের এক ধরনের চাটনি। সাধারণত ওই কাপ্পার সঙ্গে চামান্তি আর নারকেল তেল মিশিয়ে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে কেরলে। সকালে বা বিকেলের জলখাবারে ওই খাবার খাওয়া হয়।

পিল্লাই জানিয়েছেন, পান্তা ভাত সন্ধে ৭টার সময় মুম্বইয়ে বানানো সম্ভব ছিল না। তবে তিনি সঞ্জুর ম্যানেজারকে বলে দেন, বাকি তিনটি তিনি ব্যবস্থা করে ফেলতে পারবেন। এর পরেই মুম্বইয়ের এক হোটেলের বন্ধুকে ফোন করে কাঞ্জি, কাপ্পা, শুকনো সার্ডিন মাছের কারি, চামান্তি আর পাঁপড় ভাজা প্যাক করে পাঠানো হয় সঞ্জুকে। বিশ্বকাপের আগে ঘরোয়া প্রিয় খাবার খেয়ে ডায়েট ভাঙেন সঞ্জু।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement