ছবি : সংগৃহীত।
শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় হাঁটুর নিচ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘উইন্টার র্যাশ’ বা ‘জেরোসিস’ বলা হয়। ত্বক ফেটে যখন জ্বালা করে, তখন সাধারণ লোশন খুব একটা কাজ করে না। সে ক্ষেত্রে সমস্যা এড়াতে কী করবেন আর কী করবেন না?
যা করবেন না
১. স্নানের সময় অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহার করবেন না। বেশি গরম জল ত্বকের স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব নষ্ট করে দেয়। তাই সব সময় কুসুম কুসুম গরম জল ব্যবহার করুন।
২. বেশি খারযুক্ত সাবান এড়িয়ে চলুন। বদলে গ্লিসারিন সমৃদ্ধ বা ময়শ্চারাইজিং সাবান ব্যবহার করুন।
৩. ত্বক ভিজে থাকা অবস্থায় ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। স্নানের পরে তোয়ালে দিয়ে খুব জোরে বা চেপে পা ঘষবেন না। তাতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
যা করবেন
১. সমপরিমাণ গ্লিসারিন ও গোলাপজল মিশিয়ে একটি বোতলে রাখুন। রাতে ঘুমানোর আগে পায়ে ভাল করে মালিশ করুন। এতে ফাটা ত্বকের সমস্যা দূর হবে।
২. ত্বক যদি খুব বেশি ফেটে গিয়ে লালচে হয়ে গিয়ে থাকে তবে সামান্য নারকেল তেলের সঙ্গে একটু মোম গলিয়ে মিশিয়ে নিন। এটি ফাটা ত্বকে আরামদায়ক প্রলেপের মতো কাজ করে এবং জ্বালা ভাব কমায়।
৩. ত্বক জ্বালা করলে আরাম দিতে অ্যালোভেরার জেলও ব্যবহার করতে পারেন। এটি পায়ের ত্বকে এক ধরনের ঠান্ডা অনুভূতি দেবে। ত্বকের প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করবে।
৪. রাতে ক্রিম বা ভ্যাসলিন লাগানোর পর সুতির মোজা পরে ঘুমোন। এতে পায়ের আর্দ্রতা দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকবে।
৫. শীতকালে জল কম খাওয়ার কারণেও ত্বক ভিতর থেকে শুকিয়ে যায়। তাই দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস জল পান করুন।
৬. অতিরিক্ত বেশি চুলকালে বা জ্বালা করলে এবং চুলকাতে গিয়ে রক্ত বেরোলে ত্বকের চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।