Camphor Bath Benefits

নুন বা হলুদ নয়, স্নানের জলে মেশাতে হবে অন্য এক ‘জাদুকরি বস্তু’! কুনজর থেকে রাহু-কেতু, সব থাকবে আপনার বশে

ব্যস্ত জীবনে সকলের পক্ষে নিয়মিত উপায় পালন করে ওঠা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে স্নানের জলে কিছু মিশিয়ে স্নান করে ভাল ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সুবিধাই হয়।

Advertisement

বাক্‌সিদ্ধা গার্গী

শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪১
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

জীবন থেকে অশুভ শক্তি কাটানোর জন্য শাস্ত্রে নানা টোটকার কথা বলা রয়েছে। এরই মধ্যে অন্যতম হল স্নানের জলে নানা জিনিস মেশানোর টোটকা। ব্যস্ত জীবনে সকলের পক্ষে নিয়মিত নানা উপায় পালন করে ওঠা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে স্নানের জলে কিছু মিশিয়ে স্নান করে ভাল ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সুবিধাই হয়। এ ক্ষেত্রে নুন, হলুদ প্রভৃতি নানা জিনিস মেশানোর চল রয়েছে। তবে অনেকেই জানেন না যে স্নানের জলে কর্পূর মিশিয়ে স্নান করলেও নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সেগুলি কী কী জেনে নিন।

Advertisement

১. কুনজর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বাড়িতে নিয়মিত কর্পূর জ্বালালে যেমন ভাল ফল পাওয়া যায়, তেমনই স্নানের জলে কর্পূর মেশানোর ফলেও উপকৃত হওয়া যায়। নজরদোষ থেকে মুক্তি মেলে।

২. জীবনে শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটে। বিশেষ করে, মনের ভিতর জমে থাকা নেগেটিভ অনুভূতিগুলি থেকে আমরা নিজেদের মুক্ত করতে পারি। মন শান্ত হয়।

Advertisement

৩. পূর্বপুরুষের ক্ষোভ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। আপনার কোনও কাজে যদি পূর্বপুরুষেরা ক্রুদ্ধ হয়ে থাকেন বা কোষ্ঠীতে যদি পিতৃদোষ থেকে থাকে, তা হলে জলে এক চিমটে কর্পূর দিয়ে স্নান করতে পারেন।

৪. রাহু-কেতুর কোপ থেকে বাঁচায় কর্পূর। কোষ্ঠীতে রাহু-কেতু উভয়েই বা কোনও একটি যদি দুর্বল বা অশুভ স্থানে থেকে থাকে, তা হলে স্নানের জলে কর্পূর মেশাতে পারেন।

পদ্ধতি:

কর্পূর চোখে গেলে সমস্যা হতে পারে। তাই কর্পূর মেশানো জলকে মাথায় ঢালা যাবে না। স্নান শেষে জলে এক চিমটে কর্পূর দিয়ে সেই জল গায়ে ঢেলে নিতে হবে। এই কাজ রোজ করা যেতে পারে বা সপ্তাহে যে কোনও এক বা দু’দিনও করতে পারেন। নিয়মিত পালন করে চললে কয়েক সপ্তাহ পর থেকেই ফল বুঝতে পারবেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement